লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ঢাকা, ১৯ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি ৪:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৯

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

তিস্তা,ধরলাসহ ছোট,বড় সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি অপরিবর্তিত থাকলেও অবিরাম বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

তবে বুধবার সকালে তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২০ সে. মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বন্যায় পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বরও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চন্ডিমারী, দক্ষিন বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীর তীরবর্তী প্রায় ২০গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার পানিবন্দী মানুষজন পরিবার-পরিজন এবং গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এসব মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম।

এছাড়াও খাদ্যাভাব, বিশুদ্ধ পানি এবং নানা সঙ্কটে পড়েছেন এসব মানুষ। বন্যা দুর্গত এলাকার ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে তাদের। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছে প্রশাসন। তিস্তার পানি পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রনয়ণে সার্বিক মনিটরিং করছে স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, উজান থেকে তেমন পানি আসছে না। তবে বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় চর এলাকার লোকজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

এমএইচ

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও