‘পুলিশ নিয়োগে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মেধাবী সন্তানদের চাকুরী হয়েছে’

ঢাকা, ১৭ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

‘পুলিশ নিয়োগে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মেধাবী সন্তানদের চাকুরী হয়েছে’

নীলফামারী প্রতিনিধি ৬:৫২ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৯, ২০১৯

‘পুলিশ নিয়োগে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মেধাবী সন্তানদের চাকুরী হয়েছে’

এবারে পুলিশ নিয়োগে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ঘরের যোগ্য মেধাবী সন্তানদের চাকুরী হয়েছে নীলফামারীতে।

মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন তথ্য দেন পুলিশ সুপার(এসপি) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

এতে জানানো হয়, চাকুরী পাওয়া ১২৯ জনের মধ্য থেকে ডোপ টেস্টে একজন মাদকাসক্ত প্রমাণিত হওয়ায় চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ গেছেন।

জেলা পুলিশ সুত্র জানায়, ১২৯ জনের মধ্য থেকে সাধারণ কোটায় পুরুষ ৬৪ ও নারী ২৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুরুষ ৩৫ জন, পোষ্য কোটায় পুরুষ ৩ জন ও নারী ২ জন, এতিম কোটায় ১ জন এবং আনসার ও ভিডিপি কোটায় ১ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হয় পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চাকুরীর জন্য।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, যারা চাকুরী পেয়েছেন তারা হয় কৃষক, মসজিদের ইমাম, রাজমিস্ত্রি, লাইট মেকার, পানের দোকানি, পল্লী চিকিৎসক, ভিটে মাটিহীন, অটো কিংবা ভ্যান চালকের সন্তান।

১২৯ জন ছাড়াও আরো ২২ জনকে অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে। কোনো কারণে চূড়ান্ত তালিকা থেকে কেউ বাদ গেলে যুক্ত হবেন মূল তালিকায়।

তিনি জানান, প্রায় ২৫০০ জনের মধ্য থেকে ২২ জুন প্রাথমিক বাছাইয়ে (শারীরিক পরীক্ষায়) ৭৭৫ জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৪৬ জনকে ডাকা হয় মৌখিক পরীক্ষার জন্য। সব ধাপ অতিক্রম করে ২৭ জুন সকালে ১২৯ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় নির্বাচন করা হয়।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, মাত্র ১’শ টাকায় চাকুরী হয়েছে নীলফামারীর দরিদ্র অস্বচ্ছল ঘরের পরিবারের সন্তানদের।

প্রসঙ্গত, টিআরসি পদে নিয়োগের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের প্রতিনিধি হিসেবে একজন পুলিশ সুপার ও একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যার দু’জন দেখভাল করেন নীলফামারীতে।

এনএ/এএসটি

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও