৭০ ফুটের রাস্তা ৪০ ফুট, প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি

ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬

৭০ ফুটের রাস্তা ৪০ ফুট, প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি

নীলফামারী প্রতিনিধি ৭:০৯ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০১৯

৭০ ফুটের রাস্তা ৪০ ফুট, প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি

৭০ ফুটের সড়ক ৪০ ফুটে নামিয়ে আনার প্রতিবাদে জেলা শহরে মানববন্ধন হয়েছে সচেতন নীলফামারীবাসীর ব্যানারে।

বৃহস্পতিবার সকালে স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লান চত্বর চৌরঙ্গি মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

‘নীলফামারীকে গলাচিপা’ না বানানোর এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ।

এতে বক্তব্য দেন জেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান কোকো, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব শাহজাহান আলী চৌধুরী, কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি সফিকুল আলম ডাবলু, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ সরকার, জেলা নারী ফোরামের সভাপতি আরিফা সুলতানা লাভলী, জাতীয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বজলার রহমান, জেলা রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তালেব।

বক্তারা উল্লেখ করেন, শহরে যানবাহন এমনকি জনসংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। অবাধ চলাচল এখনই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যানজট তৈরি হচ্ছে।

পরিকল্পিত নীলফামারী গড়তে হলে সড়ক সম্প্রসারণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প অনুমোদন করে দিয়েছেন অথচ এটি কাটছাঁট করা হচ্ছে শহরকে কলুষিত করার জন্য।

নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন, সৈয়দপুর থেকে নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গি পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ বাদেও ৭০ ফুট করে জমি অধিগ্রহণ করার কথা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেকে) এটি অনুমোদনও হয়েছে। কিন্তু শহরের প্রবেশ মুখ কালিতলা (মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজ) থেকে চৌরঙ্গি পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণ কমিয়ে নিয়ে ৪০ ফুটে নেয়া হয়েছে। এর ফলে শহরের সড়ক সম্প্রসারণ ক্ষতির মুখে বসতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে শহরকে বিকশিত হতে না দেয়ার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে হীন স্বার্থে।

তিনিন বলেন, আমরা চাই একনেকে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে করা হোক, প্রয়োজনে আরো প্রস্তাব প্রেরণ করা হোক যাতে শহরবাসী উপকৃত হন।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় গিয়ে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এটি গ্রহণ করেন ডিসি বেগম নাজিয়া শিরিন।

জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, একনেকে পাস হওয়া সড়কের ডিজাইন অনুযায়ী রাস্তা হচ্ছে। এর ব্যত্যয় শহরেও হচ্ছে না তবে শহরের কালিতলা থেকে চৌরঙ্গি পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি, ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এটি করা হয়েছে। তবে ডিজাইন অনুযায়ী রাস্তার পাশে ফুটপাত এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এইচআর