ক্রাইস্টচার্চে নিহত আবদুস সামাদের মরদেহ কুড়িগ্রামে আনার দাবি

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

ক্রাইস্টচার্চে নিহত আবদুস সামাদের মরদেহ কুড়িগ্রামে আনার দাবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ৩:৫১ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০১৯

ক্রাইস্টচার্চে নিহত আবদুস সামাদের মরদেহ কুড়িগ্রামে আনার দাবি

ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ড. আবদুস সামাদের মরদেহ কুড়িগ্রামে আনার দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের হাসপাতালে রাখা মরদেহ শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ শনাক্তের জন্য আবদুস সামাদের স্ত্রী কিশোয়ারা বেগম ও তার দুই ছেলে সঙ্গে আছেন।

গ্রামের বাড়িতে ড. আবদুস সামাদের বড়ভাই মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা আবদুস সামাদের মরদেহ দেশের আনার সুব্যবস্থা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাচ্ছি। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এলে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করতে চাই।

ড. সামাদের ভাতিজা আবদুল মান্নান বলেন, চাচাকে তার গ্রামের বাড়িতেই দাফন করার জন্য পারিবারিকভাবে অনেকটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ড. আবদুস সামাদ নাগেশ্বরী ডিএম উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর এইচএসসি শেষে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি তথ্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগাম অবসর গ্রহণ করার পর তিনি ৫ বছর আগে সপরিবারে নিউজিল্যান্ড চলে যান। সেখানে তিনি লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

নিউজিল্যান্ডে স্ত্রী কিশোয়ারাসহ দুই ছেলে তানভীর ও তারেক সঙ্গেই থাকতেন। তার বড় ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার তোহা মোহাম্মদ ঢাকায় একটি কোম্পানিতে কর্মরত।

উল্লেখ্য,শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ৪৯ জন মারা যান। আহত হয়েছেন অন্তত ৪৮ জন। এই সন্ত্রাসী হামলার সময় আল নূর মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। তারা মসজিদে ঢোকার কিছুক্ষণ আগে এক পথচারীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ফিরে আসেন। ফলে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান ক্রিকেটাররা। এ ঘটনায় বাংলাদেশের তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এমএ

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও