বালিয়াডাঙ্গীতে ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা, আটক ৩

ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ৯ চৈত্র ১৪২৫

বালিয়াডাঙ্গীতে ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা, আটক ৩

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ৯:৫৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

বালিয়াডাঙ্গীতে ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা, আটক ৩

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় মামা-ভাগ্নেসহ ৩ জনকে ধরে পুলিশে দিয়েছে ওই ছাত্রীর অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন। আটককৃতরা হলেন পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও তার ভাই পানারুল ইসলাম এবং দুই ভায়ের মামা ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে ফজলুর রহমান ওরফে মন্টু।

বুধবার (০৯ জানুয়ারি) রাত ১১টার সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে আসামীদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় লোকজন ও স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন পুলিশের হাতে তুলে দেন এবং মেয়ের বাবা বাদী হয়ে আটককৃত ৩ জনসহ আরও ৬/৭জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় মামলা করেন। 

মেয়ের বাবা ও মামলা সুত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাত্রে স্কুলছাত্রীর ঘরে গোপনে প্রবেশ করে আব্দুর রাজ্জাক ধর্ষণ চেষ্টার সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকার করে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা তাকে আটক করলে আব্দুর রাজ্জাকের ভাই পানারুল ও মামা মন্টুসহ আরও ৬/৭ জন লোক তাকে ছিনিয়ে নিতে আসে। এ সময় স্থানীয় লোকজন রাজ্জাকের ভাই ও মামাকে আটক করলেও বাকীরা ১টি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। 

এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে ওই স্কুলছাত্রী নিজের ঘরে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার সময় বাড়ীর লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানকার ডাক্তার তাকে উন্নত রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে মেয়েটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন চাড়োল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার চ্যাটার্জী। 

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোসাব্বেরুল হক বলেন, স্থানীয় লোকজন খবর দিলে পুলিশ শুক্রবারে একটি মোটরসাইকেল, দেশীয় অস্ত্র এবং ৩ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের আগামীকাল শনিবার জেল হাজতে পাঠানো হবে এবং বাকী আসামীদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

টিএটি/