মোটরগাড়ি পেলেন ইমরান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ | ৪ মাঘ ১৪২৫

মোটরগাড়ি পেলেন ইমরান

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ৭:২২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১০, ২০১৮

মোটরগাড়ি পেলেন ইমরান

মোটরগাড়ি প্রতীক পেলেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক হলরুমে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতীক বিতরণ কালে এমরানকে মোটরগাড়ি প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন।

সকাল থেকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জেলার সংসদীয় ৪টি আসনে ৩৬ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রার্থীরা নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে এ প্রতীক সংগ্রহ করেন।

হাইকোর্টে আপিল করে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন  গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। পরে আজ (সোমবার) তিনি মোটরগাড়ি (কার) প্রতীক পান।

কুড়িগ্রামের ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৪ জন প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সোমবার দুপুরে দলীয় প্রতীক বিতরণের পর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বিতরণ কালে তিনজন সিংহ প্রতীক নিতে আগ্রহী হলে জেলা রিটার্নিং লটারির মাধ্যমে বিষয়টি ফয়সালা করেন।

লটারীতে সাবেক এমপি গোলাম হাবিব সিংহ প্রতীক পান। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী প্রথমে আপেল প্রতীক পছন্দ করে সেটি পরিবর্তন করে কুড়াল প্রতীক বেছে নেন। অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমান আলী নেন ডাব প্রতীক।

এছাড়াও কুড়িগ্রাম-১ আসন (নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী) থেকে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন-জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগের আছলাম হোসেন সওদাগর (নৌকা), বিএনপির সাইফুর রহমান রানা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুর রহমান প্রধান (হাতপাখা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির জাহিদুল ইসলাম (আম), তরিকত ফেডারেশনের কাজী লতিফুল কবীর রাছেল (ফুলের মালা), জাতীয় পার্টি-জেপির রশীদ আহমেদ (বাইসাইকেল) ও জাকের পার্টির আবদুল হাই (গোলাপফুল)।

কুড়িগ্রাম-২ আসন (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট) থেকে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জাতীয় পার্টি থেকে মহাজোটের প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ (লাঙ্গল), গণফোরাম থেকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আ ম সা আমিন (ধানের শীষ), বিকল্প ধারার আবুল বাশার (কুলা), ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মোকছেদুর রহমান (হাতপাখা), সিপিবির উপেন্দ্রনাথ রায় (কাস্তে), বাসদের মোনাব্বর হোসেন মিন্টু (মই), ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবদুর রশীদ (আম)।

কুড়িগ্রাম-৩ আসন (উলিপুর) থেকে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির এমপি ডা. আক্কাস আলী সরকার (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগের এমএ মতিন (নৌকা), বিএনপির তাসভিরুল ইসলাম (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টি-জেপির মঞ্জুরুল হক (বাইসাইকেল), বাসদের সাঈদ আকতার আমীন (মই), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান (গামছা), ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মোস্তফা মিঞা (হাতপাখা) ও সিপিবির দেলোয়ার হোসেন (কাস্তে)।

কুড়িগ্রাম-৪ আসন (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী) থেকে থেকে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের মো. জাকির হোসেন (নৌকা), বিএনপির আজিজুর রহমান (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির আশরাফ-উদ-দৌলা (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান এইচ সরকার (মোটরগাড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম হাবিব (সিংহ), ইসলামী আন্দোলনের আনছার উদ্দিন (হাতপাখা), বাসদের আবুল বাশার মঞ্জু (মই), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমান আলী (ডাব), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী (কুড়াল), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির মহী উদ্দিন আহমেদ (কোদাল), গণতন্ত্রী পার্টির আবদুস সালাম কালাম (কবুতর), জাকের পাটির শাহ আলম (গোলাপফুল) ও গণফোরামের মাহফুজার রহমান (উদীয়মান সূর্য)।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান।

ইউএএ/এফএম