দিনাজপুর বড় ময়দানে ঈদ জামাত সকাল ৯টায়

ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫

দিনাজপুর বড় ময়দানে ঈদ জামাত সকাল ৯টায়

দিনাজপুর প্রতিনিধি ৮:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৪, ২০১৮

দিনাজপুর বড় ময়দানে ঈদ জামাত সকাল ৯টায়

দিনাজপুরে এবারের ঈদুল ফিতরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত। দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে বৃহৎ এ জামাত অনুষ্ঠানে ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে সবরকম প্রস্তুতি।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন সকাল ৯টায় শুরু হবে ঈদুল ফিতরের এ জামাত। এতে ঈমামতি করবেন মাওলানা সামশুল আল কাসেমী।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর জানান, এবার ৫ লক্ষাধিক মুসল্লী এক সাথে নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ১ মাস ধরে জেলার ১৩টি উপজেলাসহ পাশের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে সভা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইমাম, খতিব, আলেম, মাশায়েখদের নিয়ে একাধিকবার ঈদের জামাতের প্রস্তুতির ব্যাপারে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহত্তম এই ঈদের জামাতে নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব পালন করবে র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং সাদা পোশাকের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠানে ঈদগাহের ভূমি সমতলসহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, মাইক, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশনের যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে।

দিনাজপুরের গোর এ শহীদ বড় ময়দানে দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠানে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।

দেশের মধ্যে আয়তনে বড় ২২ একর বিশাল এই মাঠে এক সাথে যেন ৫ লক্ষাধিক মানুষের নামাজ আদায় করতে পারে তারই প্রস্তুতি হিসেবে এই সহযোগিতা কামনা করেন হুইপ ইকবালুর রহিম।

হুইপ ইকবালুর রহিম জানান, ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান, ঈদগাহ মাঠটি ঐতিহাসিক নিদর্শন ও মনোরম কৃতির সৌন্দর্য ও নান্দনিক হিসেবে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহেরাব (যেখানে ইমাম দাঁড়াবেন) তার উচ্চতা ৪৭ ফিট। এর সাথে রয়েছে আরো ৪৯টি গম্বুজ। এছাড়া ৫১৬ ফিট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো মিনার সিরামিক্স দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন ঈদগাহ মিনারে রয়েছে ৫২টি গম্বুজ। প্রধান গম্বুজের সামনে রয়েছে মেহেরাব। ঈদগাহ মাঠের দুধারে করা হয়েছে ওজুর ব্যবস্থা। প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং। রাত হলে ঈদগাহ মিনার আলোকিত হয়ে উঠে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বৃহত্তম ঈদগাহর উদ্যোক্তা ও পরিকল্পনাকারী জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক ড. আ ন ম আবদুছ ছবুর, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম, র‌্যাবের স্থানীয় ক্যাম্প কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করেন।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে মুসল্লিরা যেন বৃহত্তম জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।

এটি/এসএফ