নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমির ল্যাবে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন বহিরাগতরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমির ল্যাবে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন বহিরাগতরা

নীলফামারী প্রতিনিধি ২:০৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৮

নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমির ল্যাবে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন বহিরাগতরা

আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমিতে কম্পিউটার ল্যাব যুক্ত হয়েছে। রবিবার দুপুরে জেলা শহরের সবুজপাড়া মহল্লায় ফিতা কেটে ল্যাবের উদ্বোধন করেন একাডেমির অধ্যক্ষ ও নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিন।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির উপাধ্যক্ষ রবিউল আলম। এ সময় নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক নরেশ চন্দ্র রায়, নীলসাগর গ্রুপের পরিচালক আব্দুর রশিদ মুক্তি, পরিবর্তন.কম প্রতিনিধি নুর আলম ও দৈনিক খোলাকাগজ প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিষ্ঠান প্রধান একাডেমিতে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তিনি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্যে আহসান হাবিব লেলিন বলেন, “নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমি” অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ, কারণ আমরা অল্প সময়ে মধ্যে শির্ক্ষাথীদের শিক্ষারমান বৃদ্ধি করতে পেরেছি।

যে উদ্দেশ্য নিয়ে অত্যাধুনিক এই ল্যাবটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তা আপনাদের অক্লান্ত প্রচেষ্ঠার মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

তথ্য প্রযুক্তির এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে থাকবে না উল্লেখ করে আহসান হাবিব লেলিন বলেন, ল্যাবটি সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। যাতে করে শেখার কোন কমতি না হয়।

উপাধ্যক্ষ রবিউল আলম বলেন, বিশেষ একটি উদ্দেশ্যে ল্যাবটির ব্যবহার আমরা বাড়াতে চাই। আমাদের একাডেমির শিক্ষার্থী ছাড়াও যে কেউ সান্ধ্যকালীন কোর্সে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। ছয়মাস মেয়াদী কোর্সে দুই শিফটে ৪০ জন করে শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র দেয়া হবে।

নীলসাগর ক্যাডেট একাডেমি সূত্র জানায়, আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ উত্তরাঞ্চলের মধ্যে একমাত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে ডিজিটালাইজড ক্লাস রুমে পাঠদান করানো হচ্ছে।

২০১৬ সালে ২১ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও দুই বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮’শ জনে। চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩৩জনের মধ্যে ২৮জন জিপিএ পাঁচ অর্জন করে জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।

এনএ/এএস