সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ

এইচ এম আলমগীর কবির,সিরাজগঞ্জ ২:২৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৯

সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ

 সিরাজগঞ্জে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ। জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বাড়বে আমিষের উৎপাদন এমনটি মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মৎস কর্মকর্তারা। 

ফুলজোড় বড়াল নদীসহ শাখা-প্রশাখার নদীর পানিতে খাঁচায় মাছ চাষের কারণে একদিকে যেমন উৎপাদিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু মাছ, পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে অনেকের। জেলাজুড়ে নদীর পানিতে এভাবে মাছ চাষ করে সফলতা অর্জন করছেন মাছ চাষিরা।

সরেজমিনে ফুলজোর নদীতে দেখা যায়, লোহার পাইপ, বাঁশ, ড্রাম ও চারদিকে জাল দিয়ে তৈরি করা হয় এই ভাসমান খাঁচা। মৎস্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী জেলায় প্রায় ২ হাজার খাঁচায় মাছ চাষ করা হয়। তবে মৎস্য চাষিদের দেওয়া তথ্যমতে, জেলায় চার থেকে পাঁচ হাজার খাঁচায় মাছ চাষ হচ্ছে। তুলনামূলক খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় এই পদ্ধতিতে মনোসেক্স তেলাপিয়ার মাছ চাষ করা যায়। পুকুরে চাষ করা মাছের চেয়ে স্বাদ ভালো হওয়ায় এই পদ্ধতিতে চাষ করা মাছের চাহিদা রয়েছে বাজারে। সরাসরি খাঁচা থেকেই এসব মাছ কিনে নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন বাজারের পাইকাররা।

মাষ চাষি আলমাস উদ্দিন ও আতিকুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, পুকুরের তুলনায় খাঁচায় মাছ চাষ অনেকটা লাভজনক। মাছের স্বাদ ও দুর্গন্ধহীন হওয়ার কারণে বাজারে এসব মাছের চাহিদাও বেশি। সরাসরি খাঁচা থেকেই মাছ বিক্রি করা যায়। মনোসেক্স তেলাপিয়া মাছ চাষ করে লাভও ভাল হচ্ছে বলে জানালেন তারা।

খামারে কাজ করা রফিক ও আবু তাহের নামে দুজন জানান, মাছের খামারে কাজ করে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছেন তারা। এতে করে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে ভালভাবে সংসার চালাতে পারছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস কর্মকর্তা মো. সাহেদ আলী বলেন, খাঁচায় মাছ চাষ বৃদ্ধি করে মাছের চাহিদা পূরণের জন্য মৎস্য চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঋণ সহায়তা দেওয়া গেলে নদ-নদীর প্রবাহমান পানি কাজে লাগিয়ে এ পদ্ধতিতে মাছ চাষে রূপালি বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে জানা এই কর্মকর্তা।

এইচএমএকে/ এমকে

 

পরিবর্তন বিশেষ: আরও পড়ুন

আরও