ফুটবল খেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২৫

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ফুটবল খেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২৫

পাবনা প্রতিনিধি ৫:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০১৯

ফুটবল খেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২৫

পাবনার সদর উপজেলার চরঘোষপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ১০ জনসহ অন্তত ২৫ জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চরঘোষপুরে বাড়ির পাশের নিজেদের জমিতে ফুটবল খেলছিল এক মহল্লার লোকজন। পাশের মহল্লার লোকজনকে খেলায় না নেয়ায় তারা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তারা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারেকে মারপিট করে ওই গ্রামের কায়েম ও হাবিবর পক্ষের লোকজন। পরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে কায়েম ও হাবিবর গ্রুপের লোকজন পরে অস্ত্র লাঠিসোঁটা নিয়ে আরিফুলদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা বাধা দিতে গেলে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে আরিফ গ্রুপের ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় অন্তত ২৫ জন।

ওই গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, আমাদের পরিবারের লোকজন নিজ পতিত জমিতে ফুটবল খেলছিল। এ সময় পাশের মহল্লার কায়েম ও হাবিবরদের লোকজন খেলতে দেয়ার দাবি করে। এ সময় আমাদের লোকজন তাদের খেলতে না দিলে তারা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা আমাদের মারপিট করে এবং সেখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আমাদের লোকজন বাড়ি চলে গেলে তারা সংঘবদ্ধভাবে অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় বাধা দিতে গেলে তারা অতর্কিতভাবে গুলি চালালে আমাদের ১০/১২ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত পনের জন আহত হয়। এ সময় আরো গ্রামবাসীও আহত হয় বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে অপর পক্ষের হাবিবুর রহমান বলেন, আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত নয় কায়েমরা কয়েকজন ছিল। তবে গুলাগুলির ঘটনা ঘটে নি। বিষয়টি নিয়ে কায়েমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করি। এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। একপক্ষ মামলা করবেন বলে মৌখিকভাবে আমাদের জানিয়েছেন। মামলার পর পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে কারা গুলি করেছে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

এইচআর

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও