বগুড়া পৌরসভায় হোল্ডিং ট্যাক্সের ৯০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

বগুড়া পৌরসভায় হোল্ডিং ট্যাক্সের ৯০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বগুড়া প্রতিনিধি ৪:০২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০২, ২০১৯

বগুড়া পৌরসভায় হোল্ডিং ট্যাক্সের ৯০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

বগুড়া শহরের বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স হিসেবে আদায় করা ৯০ লাখ টাকা পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেটে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া রশিদ বই ছাপিয়ে এবং রশিদ বইয়ের কার্বন কপি জালিয়াতি করে পৌরসভায় বসে বছরের পর বছর এ কাজ করে আসলেও বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি।

এ ঘটনায় তৎকালীন সচিব ইমরোজ মুজিবকে বদলি, দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৬ অস্থায়ী কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড এলাকায় ৬৫ হাজার ৩৮৩টি হোল্ডিং রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি পুরাতন ওয়ার্ডের ৩০ হাজার ৫৭১টি হোল্ডিং। প্রচলিত নিয়ম অনুয়ারী পৌর সভার অধীনস্থ একটি বাড়ির মালিককে চারটি খাতে পৌর ট্যাক্স দিতে হয়। এসব ট্যাক্সের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেনামি একটি চিঠি দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দুদক কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহতি করে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৭ সালে ৪ ডিসেম্বর (১৩৭৭০-৩৪১২৬ নং সিটে) ট্যাক্স হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৪৭ হাজার ৮৯৬ টাকা। এর মধ্যে পৌরসভাকে ৫৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বা ২৬ হাজার ৯২৬ টাকা দেওয়া হয়েছে। আর বাকি ২০ হাজার ৯৫১ টাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আত্মসাৎ করেছেন।

দুদক বগুড়া জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৯০ লাখ টাকা আত্মসাতের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বগুড়া পৌরসভার মেয়র একেএম মাহবুবুর রহমান জানান, পৌরসভার ট্যাক্সের টাকা আত্মসাতের কথা জেনেছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জড়িতদের ব্যাপারে দুদক ও স্থানীয় সরকারকে জানানো হয়েছে।

এএইচ/আরপি

 

পরিবর্তন বিশেষ: আরও পড়ুন

আরও