মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

রাজশাহী ব্যুরো ১২:৩৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দেউলা গ্রামের মা আকলিমা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে জাহিদ হাসানকে (২৫) গলাকেটে হত্যার মামলায় তিনজনের ফাঁসি ও চারজনের আজীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রায়ে ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আবুল হোসেন মাস্টার (৫২), হাবিবুর রহমান হাবিব (৪০) ও চাকরিচ্যুত বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাক (৩৫)।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল কাফি (২২), একই গ্রামের রুহুল আমিন (৩০), দুর্গাপুরের খিদ্রকাশিপুর গ্রামের রুস্তম আলী (২৬) এবং খিদ্রলক্ষ্মীপুর গ্রামের ওরফে মনির (২৩)।

তিনি আরও জানান, বাগমারার দেউলা গ্রামে নিজ বাড়িতে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে আকলিমা বেগম ও তার ছেলেকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আকলিমার বড় ছেলে দুলাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এরপর থেকে বিভিন্ন সময় নানা মোড় নেয় এই জোড়া খুনের তদন্ত। তিন দফা বদল করা হয় তদন্ত কর্মকর্তা।

সর্বশেষ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করে। এরপর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বেরিয়ে আসে। পরে ২০১৮ সালের ৩১ মে আদালতে পিবিআইয়ের পরিদর্শক আলমগীর হোসেন এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এই হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসাবে দুইজনেক দায়ী করা হয়।

তারা হলেন- নিহত আকলিমা বেগমের দেবর আবুল হোসেন মাস্টার (৫২) এবং তার সহযোগী হাবিবুর রহমান হাবিব (৪০)। আবুল হোসেন বাগমারা উপজেলার দেউলা রানী রিভারভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আর হাবিবুরের বাড়ি জেলার দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামে।

মামলাটিতে মোট ৫১ জন সাক্ষী ছিলেন। আদালত ৪৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। এরপর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

বিএইচ/এএসটি

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও