গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ে, তদন্ত দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ে, তদন্ত দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

পাবনা প্রতিনিধি ১২:৪৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯

গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ে, তদন্ত দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

পাবনায় গণধর্ষণের পর থানায় বিয়ের ঘটনা তদন্তে নেমেছ মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের নির্দেশে গঠিত তদন্ত দল। শনিবার বেলা ১১টায় সদর উপজেলার যশোদল সাহাপুর গ্রামের নির্যাতিতা গৃহবধূর বাবার বাড়ি থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন তারা।

তিন সদস্যের তদন্ত দলে রয়েছেন পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ নেওয়াজ, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবু জাফর।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ও তার পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অভিযুক্ত সকল আসাসিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতা নারীর ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের নির্দেশে আমরাও ঘটনা তদন্ত করছি। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করা হবে। জেলা প্রশাসক এর পর প্রতিবেদন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে পাঠাবেন।

ইবনে মিজান আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় বিয়ের অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার এবং উপ-পরিদর্শক ইকারামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, পাবনা সদর উপজেলার সাহাপুর যশোদল গ্রামের এক নারীকে গত ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে অপহরণ করে এবং আটকে রেখে টানা চারদিন গণধর্ষণ করে।

পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করলেও মামলা নথিভুক্ত না করে ধর্ষিতাকে তার সাথে থানা চত্বরে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা চালায়। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে মামলা দায়েরের পর সকল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। 

আরজে/আরপি

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও