গণধর্ষণের পর বিয়ে: ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

গণধর্ষণের পর বিয়ে: ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

পাবনা প্রতিনিধি ১২:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

গণধর্ষণের পর বিয়ে: ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

ক্যাপশন: ওসি ওবাইদুল হক এবং উপ-পরিদর্শক একরামুল হক (ডানে)

পাবনায় গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে সদর থানা চত্বরে অভিযুক্ত এক ধর্ষকের সাথে বিয়ে দেওয়ার ঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাইদুল হককে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিয়ের ঘটনায় জড়িত থাকায় সদর থানার উপ-পরিদর্শক একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মামলায় হোসেন আলী ও সঞ্জু নামে আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

পুলিশ সুপার জানান, সদর থানার দাপুনিয়ায় এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর মামলা না নিয়ে ধর্ষকের সাথে বিয়ের ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় ধর্ষণ মামলা হিসেবে মামলাটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে এ মামলায় অভিযুক্ত রাসেল ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ আরো দুই আসামি হোসেন আলী ও সঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে মামলার মোট পাঁচ আসামির চারজন গ্রেফতার হয়েছে। তাদের মধ্যে রাসেল ও হোসেন ১৬৪ ধারায় ধর্ষণের স্বীকোরোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, পাবনা সদর উপজেলার সাহাপুর যশোদল গ্রামের এক নারীকে গত ২৯ আগস্ট রাতে একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমেদ চার সহযোগীকে নিয়ে অপহরণ করে টানা চারদিন ধরে গণধর্ষণ করে।

পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করলেও মামলা নথিভুক্ত না করে ধর্ষিতাকে তার সাথে থানা চত্বরে বিয়ে দিয়ে ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা চালায়। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে জেলায় নিন্দার ঝড় ওঠে।

আরজে/আরপি

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও