পাবনায় গৃহবধূ গণধর্ষণে আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পাবনায় গৃহবধূ গণধর্ষণে আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

পাবনা প্রতিনিধি ৪:৩০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

পাবনায় গৃহবধূ গণধর্ষণে আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

পাবনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি দাপুনিয়া ইউপি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার বেলা ১১টায় ঈশ্বরদীর মুলাডুলি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ঘন্টু টেবুনিয়া রানীগ্রাম সিরাজ মাস্টারের ছেলে।

পাবনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান একথা জানিয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ঘন্টু টেবুনিয়া ছিটগোডাউনের পাশে অফিসের একটি কক্ষে গৃহবধূকে তিনদিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন সন্তানের জননী ওই নারীর বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের যশোদল গ্রামে। তার অভিযোগ, প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ গত ২৯ আগস্ট এক সহযোগীসহ তাকে তার বাড়িতে ধর্ষণ করে। দুইদিন পর (৩১ আগস্ট) তাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে নিয়ে তিনদিন আটকে রেখে সেখানেও চার-পাঁচ জন তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। বিষয়টি ওই নারী বাড়ি ফিরে স্বজনদের জানালে গত ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেই গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে পুলিশ রাসেলকে প্রথমে আটক করে। আর ওই নারীর রিকশাচালক স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে। এরপর অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে অভিযোগকারী ওই নারীকে থানায় ডেকে এনে বিয়ে দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সংবাদ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে।

ধর্ষণের মামলা না নিয়ে মীমাংসা করতে অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে গৃহবধূকে বিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে সদর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা জানাজানি হলে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন এবং ধর্ষণ মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয় জেলা পুলিশ। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ওই গৃহবধূকে থানায় ডেকে নিয়ে মামলা করে পুলিশ।

এইচআর

আরও পড়ুন...
ধর্ষকের সঙ্গে থানায় গৃহবধূর বিয়ে, আলামত জব্দ
ধর্ষকের সাথে কেন বিয়ে, ওসিকে শোকজ
ধর্ষিতা গৃহবধূকে ধর্ষকের সাথে বিয়ে দিলেন ওসি!

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও