বগুড়ায় ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতে খোকন গ্রেফতার

ঢাকা, ২৪ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

বগুড়ায় ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতে খোকন গ্রেফতার

বগুড়া প্রতিনিধি ৫:৪০ অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৯

বগুড়ায় ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতে খোকন গ্রেফতার

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ৩১ কোটি ১৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাকছুদুল আলম খোকনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোরে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঠিকাদার মেসার্স মাসফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী খোকনকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়।

বগুড়া কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রায় ৪০ কোটি ৮৩ লাখ ৭৬ হাজার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম সদর থানায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দুদক মামলাটি তদন্ত করে দেখতে পান, ৩১ কোটি ১৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। পরে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়া হয়।

আসামিরা হলেন- এসআইবিএলের সাবেক ব্যবস্থাপক (বর্তমানে বরখাস্ত) রফিকুল ইসলাম, সাবেক ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে বরখাস্ত) আতিকুল কবির, সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার (বর্তমানে বরখাস্ত) মাহবুবুর রহমান, মেসার্স এমএম ট্রেডিংয়ের স্বত্ত্বাধিকারী আকতার হোসেন মামুন, মেসার্স রিমা ফ্লাওয়ার মিলসের স্বত্ত্বাধিকারী জহুরুল হক মোমিন, মেসার্স নিলয় এন্টার প্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী এনামুল হক বাবু, মেসার্স মাশফা এন্টার প্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মাকসুদুলম আলম খোকন, বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শুকরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান আকন্দ ও ব্যবসায়ী ফেরদৌস আলম।

এদের মধ্যে মো. আতিকুল কবির, মো. মাহবুবুর রহমান, ফেরদৌস আলম, আব্দুল মান্নান আকন্দ ও রফিকুল ইসলাম জামিনে আছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি মাকছুদুল আলম খোকনের বিরুদ্ধে আগেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। অবশেষে শনিবার তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির বগুড়া শাখার এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট (সাময়িক বরখাস্ত) মো. আতিকুল কবির ও বগুড়া শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত) মো. মাহবুবুর রহমান মিলে গ্রাহকদের হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এদের মধ্যে খোকন একাই ৬ কোটি টাকা মেরে দেন।

এএইচ/আইএম

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও