ধানের বাম্পার ফলনেও মলিন কৃষকের মুখ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ধানের বাম্পার ফলনেও মলিন কৃষকের মুখ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ১:৫৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০১৯

ধানের বাম্পার ফলনেও মলিন কৃষকের মুখ

শস্যভাণ্ডার খ্যাত চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ইরি ও বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। এখন কৃষকদের দম ফেলার ফুরসত নেই। তবে শ্রমিক সঙ্কট দেখা দেওয়ায় কৃষকেরা বেশি টাকায় ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। ইতোমধ্যে মিনিকেট ধানে চিটা রোগ হওয়ায় কৃষকের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর তাড়াশ উপজেলায় চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার হেক্টর।


তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের ভোগমান গ্রামের গ্রামের কৃষক জান মাহমুদ জানান, এ বছর ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠে মাঠে সোনালীর আলোয় আলোকিত হয়েছে পাকা ধান। শ্রমিক সঙ্কট হওয়ায় ধান কাটতে সময় লাগছে।

একই ইউপির আড়ংগাইল গ্রামের কৃষক আব্দুল গফুর বলেন, ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম বর্তমানে বেশ ভালো। প্রতিমণ ধান এখন ৬০০ থেকে সাড়ে ৭০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটা হাট বাজারে।

এদিকে বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। কারণ খরচের চেয়ে ধানের মূল্য খুবই কম। ধানের দাম না বাড়লে আগামীতে বোরো আবাদ কম হওয়ার আশংকা করছেন এ কৃষক।

তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামের কৃষক আশরাফ আলী বলেন, এ বছর মিনিকেট ধান লাগিয়েছিলাম। কয়েকদিন আগে মিনিকেট ধানে চিটা রোগ হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকের ক্ষতি হয়েছে। এদিকে ধান বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলে এবার বোরো ধান অনেক ভালো হয়েছে। কিন্ত ধানের দাম না পেয়ে কৃষকেরা অসন্তষ্ট।

এআইআর/এএসটি

 

রাজশাহী: আরও পড়ুন

আরও