শনিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫

শনিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পাবনা প্রতিনিধি ১০:৫৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৮

শনিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে রেলপথ। ১৪ জুলাই (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী পাবনায় আসছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের ফার্স্ট কংক্রিট পোরিং (এফসিপি) কাজের উদ্বোধন করতে।

একই দিন বিকেল ৩টায় পাবনা পুলিশ লাইন্স মাঠের জনসভাস্থল থেকে ঈশ্বরদী বাইপাস থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে নিশ্চিত করেছে পাকশী বিভাগীয় রেল কর্তৃপক্ষ।

রেলওয়ে পাকশী বিভাগের রেল ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের চুক্তি সম্পাদন হয়েছে মঙ্গলবার। ভারতের জিপিটি এবং বাংলাদেশের এসইএল ও সিসিসিএল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে (জয়েন্ট ভেঞ্চার) ২৯৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় ঈশ্বরদী বাইপাস টেক অফ পয়েন্ট থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৫২ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ করবে। এর মধ্যে ২২ দশমিক ০২ কিলোমিটার হবে মূল লাইন, আর ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার হবে লুপ লাইন। এছাড়া ১৩টি লেভেল ক্রসিং গেইট, একটি ‘বি’ শ্রেণির স্টেশন ভবন, একটি প্লাটফর্ম এবং সাতটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর জানান, গত ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ফার্স্ট কংক্রিট পোরিং (এফসিপি) ঢালাই কাজ। ইতোমধ্যে প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাই কাজ শেষ হয়েছে। সম্প্রতি দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ কাজের লাইসেন্স মিলেছে। ১৪ জুলাই  প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় ইউনিটের ফার্স্ট কংক্রিট পোরিংয়ের কাজ উদ্বোধন করবেন। পরবর্তী ধাপে রিএকট্যার স্থাপনে ভারী যন্ত্রাংশ, উপকরণ, কাঁচামাল সহজে পরিবহনের জন্য ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের টেক পয়েন্ট থেকে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প পর্যন্ত নির্মিতব্য রেলপথ ব্যবহার করা হবে।

ড. শৌকত আকবর আরো জানান, রূপপুর প্রকল্পের এই রেললাইনের নির্মাণ কাজ শেষ হলে চট্টগ্রাম ও খুলনা বন্দর থেকে খুব সহজেই রাশিয়া থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা মালামাল পরিবহন করা সম্ভব হবে।

আরজে/এএল/