কলেজছাত্রী অপহরণের অভিযোগে জয়পুরহাটে একজন হাজতে

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

কলেজছাত্রী অপহরণের অভিযোগে জয়পুরহাটে একজন হাজতে

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৮

কলেজছাত্রী অপহরণের অভিযোগে জয়পুরহাটে একজন হাজতে

জয়পুরহাটে নাবালিকা অপহরণ মামলায় একজনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।  গত সোমবার গোলাপ হোসেন জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসর্মপন করলে শুনানী অন্তে বিচারক এবিএম মাহমুদুল হক তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গোলাপ হোসেনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও চাকরি দেবার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে ।

জয়পুরহাট থানা ও সংশ্লিষ্ট মামলা সুত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বিন্নিপাড়া গ্রামের অছিম উদ্দিনের ছেলে গোলাপ হোসেন গত কয়েকমাস ধরে জয়পুরহাট সদর উপজেলার দাদরা জন্তিগ্রামের ১৭ বছর বয়সী মেয়ে জয়পুরহাট সরকারি কলেজের ১ম বর্ষের এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে কলেজে যাতায়াতের সময় সরাসরি ও মোবাইল ফোনে প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করতো। এ ছাড়াও গোলাপ হোসেন সুযোগ পেলেই তাকে প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিত। এতে উক্ত ছাত্রী রাজি না হলে গোলাপ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরই জের ধরে গত ১৮মে দুপুর ১২ টার ওষুধ কেনার জন্য সে ছাত্রী  বাড়ি থেকে ভ্যানযোগে জয়পুরহাট শহরের দিকে এলে পথিমধ্যে গোলাপ হোসেন ও তার ৩/৪ জন সহযোগী তাকে পথরোধ করে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে উঠিযে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই মেয়ের বাবা আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় গোলাপ হোসেনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গোলাপ হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে মহামান্য হাইকোর্ট ২৮ মে ৬ সপ্তাহের জামিন প্রদান করেন এবং নিয়ে আদালতে আত্মসর্মপনের নির্দেশ দেন।

জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম হোসেন জানান, গোলাপ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীসহ সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
 
এ দিকে গোলাপ হোসেন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হোসেন বলেছেন, জয়পুরহাট জেলায় কোন ধরনের চাদাঁবাজি চলবে না। কোন চাঁদাবাজকে প্রশয় দেয়া হবে না। যারা সাংবাদিকতার নামে  সাংবাদিকতার মত সৎ ও জনকল্যাণমুখি পেশাকে কুলষিত করে অপকর্মে লিপ্ত, তারা সমাজের কীট। কেবল এ সব হলুদ সাংবাদিক নয়, সমাজের ক্ষতিকর কাজে জড়িত সে যতবড় ক্ষমতাবান, আর যে পেশার লোকই হোক, তাদের বিরুদ্ধে  যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব। তাদের কোন ছাড় দেয়া হবে না।’

এসএসএম/আরজি