২৪তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ | ৪ আষাঢ় ১৪২৬

বিষয় :

২৪তম তারাবীহ

২৪ রমযান

২৭তম পারা

সূরা যারিয়াত

সূরা তূর

সূরা নাজম

সূরা ক্বমার

সূরা রহমান

সূরা ওয়াকিআ

সূরা হাদীদ

তারাবীহ’র বয়ান

আজকের তারাবীহ

সংক্ষিপ্ত তাফসীর

২৪তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

মুফতী জিয়াউর রহমান ৩:৪১ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৯

২৪তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

আজ ২৪তম তারাবীহতে সূরা যারিয়াত ৩১ থকে সূরার শেষ ৬০ নম্বর আয়াত, সঙ্গে সূরা তূর, সূরা নাজম, সূরা ক্বমার, সূরা রহমান, সূরা ওয়াকিআ এবং সূরা হাদীদ তিলাওয়াত করা হবে। আজ পড়া হবে ২৭তম পারা। পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের আলোচনা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

১. ২৬ তম পারার শেষের দিকে ওই ফেরেশতাদের আলোচনা হয়েছিল, যাদেরকে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম অন্য সাধারণ মেহমান মনে করে নিয়েছিলেন। পরে যখন বুঝতে পারলেন যে, এরা তো ফেরেশতা; তখন তাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, আপনারা কী কাজে এসেছেন? তারা বললেন, আমরা লূত আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়ের উপর পাথরবৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের ধ্বংস করে দেয়ার জন্যে এসেছি। কওমে লূতের আলোচনা ছাড়াও এই সূরায় ফেরাউন, আ'দ, সামুদ এবং কওমে নূহের পরিণতির আলোচনা এসেছে।

২. এরপর আসমান-যমীন সৃষ্টির আলোচনা এবং এই তথ্যও প্রদান করা হলো যে, আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক জিনিসকে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। সূরার শেষের দিকে জিন এবং মানবজাতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যের দিকে আলোকপাত করলেন। আর সেই উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল্লাহ তাআলার ইবাদাত করা। এও সংবাদ প্রদান করা হলো যে, সমস্ত মাখলুকাতের রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা নিয়েছেন। কাফির মুশরিকদেরকে কিয়ামতের দিনের শাস্তির ভয় প্রদর্শন করা হলো।

সূরা তূর
৩. সূরা তূর মক্কায় অবতীর্ণ সূরা। এতে ৪৯ টি আয়াত ও দুটি রুকু রয়েছে। এই সূরার শুরুতে পাঁচটি কসম করে বলা হচ্ছে, নিঃসন্দেহে আপনার প্রতিপালকের শাস্তি সংঘটিত হবেই। এতে একটুও এদিক-সেদিক হবে না। মাগরিবের নামাযে রাসূল (সা.) সূরা তূর পাঠ করছিলেন। জুবাইর ইবনে মুত'য়িম রা, কুফরের অবস্থায় নামাযের তিলাওয়াত শুনছিলেন। যখন এই আয়াত পাঠ করলেন, “আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী।” তিনি বলেন: এই জায়গা শুনা মাত্রই আমার ভেতরটা যেন ফেটে যাচ্ছিল। সুতরাং আযাব নাযিল হওয়ার ভয় তাঁকে ইসলাম গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করে।

৪. এরপর মুত্তাকিদের স্থায়ী ঠিকানা জান্নাতের আলোচনা এসেছে। সেখানে তাদের জন্য রমনী, সুস্বাদু ফল, গোশতের মতো নিয়ামত প্রস্তুত রয়েছে। তারা পরস্পর কথাবার্তার এক প্রসঙ্গে বলবে- আমরা ইতোপূর্বে নিজেদের বাসগৃহে ভীত-কম্পিত ছিলাম। তারপর আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন। আমরা পূর্বেও আল্লাহকে ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম দয়ালু। (২৬-২৮)

৫. এরপর রাসূল (সা.) এর দাওয়াতের ব্যাপারে মুশরিকদের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে যে, তারা রাসূল (সা.) এর সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে, তাঁকে তারা গণক এমনকি পাগলও আখ্যা দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা রাসূল (সা.)কে নির্দেশ দিলেন যে, আপনি দাওয়াত ও নসিহতের ধারাবাহিকতা জারি রাখুন। তারা আপনার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। সূরার শেষের দিকে মুশরিকদের বাতিল ধারণার মূলোৎপাটন করে দেয়া হয়েছে। আল্লাহর একত্ব ও উপাস্য হওয়ার দলিল পেশ করা হয়েছে। ওই নির্বোধদের নিন্দা করা হয়েছে, যারা ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর মেয়ে বলে নাউযুবিল্লাহ! রাসূল (সা.)কে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে ধৈর্যধারণ ও আল্লাহর তাসবীহ ও প্রশংসা করার হুকুম দেয়া হয়েছে। এবং এও সুসংবাদ দেয়া হলো যে, আল্লাহ আপনাকে হেফাজত করবে। আর যালিমদেরকে শাস্তির মুখোমুখি করবেন। দুনিয়ার শাস্তিও আখেরাতের শাস্তিও।

সূরা নাজম
৬. সূরা নাজম মক্কায় অবতীর্ণ সূরা। এতে ৬২ আয়াত ও তিনটি রুকু রয়েছে। এই সূরার শুরুতে অস্তগামী তারকার কসম করে রাসূল (সা.) এর সত্যতার বিবরণ দেয়া হয়েছে। রাসূল (সা.) এর মু'জিযা মেরাজের আলোচনা এসেছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী (সা.)কে বাদশাহীর আশ্চর্যজনক বিষয়াবলী দেখিয়েছেন। জিবরীল আলাইহিস সালামকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছেন, জান্নাত, জাহান্নাম, বায়তুল মা'মুর, সিদরাতুল মুনতাহাসহ আল্লাহর অপার নিদর্শনাবলী প্রদর্শন করেছেন।

৭. এই সূরা মুশরিকদের নিন্দা করেছে, যারা লাত, উযযা এবং মানাত নামক প্রতিমার পূজা করত এবং ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা আখ্যায়িত করত (নাউযুবিল্লাহ!)। এই সূরায় কিয়ামতের আলোচনা এসেছে। যেদিন ভালো-মন্দ সব আমলের পুরোপুরি বদলা দেয়া হবে। মুত্তাকিদের বেলায় বলা হয়েছে যে, তারা বড় গোনাহ এবং অশ্লীল কাজ থেকে বেঁচে থাকে আর কাফিররা ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

৮. এই সূরায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষ স্বতন্ত্রভাবে নিজের আমলের দায়িত্বশীল নিজেই। কাজেই কারো গোনাহের দায়ভার অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়া যাবে না। চেষ্টা অনুযায়ী মানুষের প্রাপ্তি যোগ হবে। আর মানুষ নিজের প্রশংসা নিজে করার ব্যাপারে এখানে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।

৯. এই সূরায় আল্লাহর কুদরত ও একত্বের কিছু দলিল পেশ করা হয়েছে। যেমন তিনিই হাসান ও কাঁদান, তিনিই মারেন ও বাঁচান এবং তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী। পুনরুত্থানের দায়িত্ব তাঁরই। তিনিই ধনবান করেন ও সম্পদ দান করেন। তিনিই নাফরমান সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন। সূরার শেষের দিকে কুরআনে কারীম সম্পর্কে মুশরিকদের দৃষ্টিভংগীর আলোচনা এসেছে, “তোমরা কি এই বিষয়ে আশ্চর্যবোধ করছ? এবং হাসছ, কাঁদছ না? তোমরা ক্রীড়া-কৌতুক করছ। অতএব আল্লাহকে সিজদা কর এবং তাঁর ইবাদত কর। (৫৯-৬২)

সূরা কামার
১০. সূরা কামার মক্কায় অবতীর্ণ সূরা। এতে ৫৫ টি আয়াত ও তিনটি রুকু রয়েছে। এই সূরায় ওয়াদাও রয়েছে সতর্কবাণী রয়েছে। মুমিনদের জন্যে সুসংবাদও রয়েছে, কাফিরদের জন্যে ভীতি প্রদর্শনও রয়েছে। নসিহত ও শিক্ষামূলক আলোচনা, নবুওয়াত, রিসালাত, পুনরুত্থান ও কিয়ামত সংঘটিত হওয়া, বিচার-ফয়সালা ও তকদিরের মতো মৌলিক আকিদার আলোচনাও রয়েছে।

১১. সূরার শুরুতেই কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়া এবং চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার আলোচনা এসেছে। রাসূল (সা.) এর নবুওয়াত প্রাপ্তি ও এরপরের যুগ শুরু হওয়া কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার আলামত। এক হাদীসে এসেছে- ‘‘আমি এবং কিয়ামত এক সাথে প্রেরিত হয়েছি। একথা বলে নবী (সা.) হাতের শাহাদাত আঙ্গুল এবং মধ্যমা আঙ্গুলকে একত্রিত করে দেখালেন’’ (বুখারী ও মুসলিম)

চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়া রাসূলে আকরাম (সা.) এর প্রসিদ্ধ মু'জিযা। যখন মক্কাবাসী রাসূল (সা.) এর কাছে তাঁর রিসালাতের স্বপক্ষে কোনো নিদর্শন চাইল, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর সত্যতার প্রমাণস্বরূপ চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করে দেখিয়ে দিলেন। রাসূল (সা.) এর হাতের ইশারায় চাঁদটা দুই টুকরো হয়ে গেলো। কিন্তু যাদের ভাগ্যে হেদায়াত নেই, তাদের কথাই আল্লাহ তাআলা বলছেন: “তারা যদি কোনো নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরায়ত যাদু।” (৩)

১২. আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবীকে বললেন, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এবং কিয়ামতের ভয়ানক দিনের অপেক্ষা করুন, যেদিন তারা ভয়ার্ত চেহারায় কবর থেকে উঠবে। চেহারায় অপদস্থতার চাপ পরিলক্ষিত হবে। দৌড়তে থাকবে আর বলতে থাকবে, এটা বড় কঠিন দিন। এরপর মক্কার কাফিরদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে যে, পূর্বের সম্প্রদায়ের ন্যায় তোমাদের উপরও আল্লাহর আযাব চলে আসতে পারে। কেননা পূর্বের সম্প্রদায়ের মতো তোমরাও সেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছ। এখানে যে সমস্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ের কাহিনি আলোকপাত করা হয়েছে, প্রত্যেকবার একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে- তারপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী?

১৩. আল্লাহ তাআলা বলেছেন: আমি কুরআনকে বোঝার জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো চিন্তাশীল আছে কি? এখানে সহজ করে দেয়ার মানেই হচ্ছে, তিলাওয়াত করার জন্য, হিফয করার জন্য, নসিহত গ্রহণ এবং এর উপর আমল করার জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে। সূরার শেষের দিকে আল্লাহ তাআলা বলেন: “আমি প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি।” প্রত্যেক জিনিস সৃষ্টির ক্ষেত্রে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভারসাম্য রক্ষা করা কেবল খালিকের পক্ষেই সম্ভব। এটাই তার কুদরতের বড় দলিল। তাছাড়া মানুষের সবকিছু আমলনামায় লিপিবদ্ধ থাকার কথাও এসেছে। তাই ছোট থেকে ছোট কোনো গোনাহকেই তুচ্ছ মনে করা ঠিক নয়।

সূরা আর-রহমান
১৪. সূরা আর-রাহমান মদীনায় অবতীর্ণ সূরা। এতে ৭৮ টি আয়াত ও তিনটি রুকু রয়েছে। এই সূরার আরেক নাম উরুসুল কুরআন বা কুরআনের নববধূ। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা তাঁর নিয়ামতের বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। প্রথম নিয়ামত হিসেবে কুরআন নাযিল হওয়া এবং কুরআনের তা'লীমের বিষয় বিবৃত হয়েছে। নিঃসন্দেহে এই কুরআন মানুষের জন্যে মহা নিয়ামত। প্রত্যেক জিনিসের একটা কি একটা বিকল্প থাকে, কিন্তু কুরআনের কোনো বিকল্প নেই। কোনো বস্তুগত নিয়ামত এর ধারেকাছেও যেতে পারবে না। কুরআনের একেকটি আয়াত এমনকি একেকটি হরফ দুনিয়া এবং এর ভেতর যা কিছু আছে, সব থেকে উত্তম।

আল্লাহ তাআলা এই সূরা করেছেন তাঁর প্রধানতম সিফাত 'রাহমান' বলার মাধ্যমে। যেন জানিয়ে দেয়া হলো সমস্ত নিয়ামত, বিশেষত কুরআনের মতো নিয়ামত প্রাপ্তি তাঁর রাহমান সিফাতের বদৌলতে হয়েছে।

১৫. এরপর বিশ্বজগতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন নিয়ামতের আলোচনা হয়েছে। সূর্য, চন্দ্র আল্লাহর হিসাব মতো তাদের কক্ষপথে বিচরণ করছে। তারকা, গাছগাছালি আল্লাহর সামনে সিজদারত রয়েছে। যমীনকে বিছানাসদৃশ বিছিয়ে রাখলেন। নানা প্রজাতির ফলমূল, সুগন্ধি ফুল, শস্য, তরিতরকারি যেগুলো থেকে মানুষ উপকৃত হয়। মানুষকে মাটি থেকে জিন জাতিকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন। মিঠা এবং লোনাপানি সমুদ্রে তার তার জায়গামতো পাশাপাশি প্রবাহিত হয়। সমুদ্র থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল। পাহাড় সদৃশ জাহাজ যা দরিয়ায় চলাচল করে।

১৬. জিন এবং মানবজাতিকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ বলছেন, ভূমণ্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তাহলে অতিক্রম করো। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতিত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না। (৩৩)

দুনিয়াবী নিয়ামতের বিবরণের পাশাপাশি পরকালীন নিয়ামত এবং শাস্তির কথাও আলোচিত হয়েছে। জাহান্নামের ভয়াবহতার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধোয়ার কুণ্ডলী ছাড়া হবে। আকাশ বিদীর্ণ হবে, রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মতো হয়ে যাবে। সেদিন অপরাধির পরিচয় তার চেহারা থেকেই পাওয়া যাবে। পা ও চুল ধরে জাহান্নামের দিকে টেনে নেয়া হবে। এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

১৭. “অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?” আল্লাহ তাআলার মাখলুকাত ও বিস্ময়কর সৃষ্টির আলোচনার অধিনে এই আয়াতটি এনেছেন ৮ বার। এরপর জাহান্নামের শাস্তির আলোচনার অধিনে এনেছেন ৭ বার। জান্নাতের নিয়ামতরাজির আলোচনার অধিনে এই আয়াত এসেছে ৭ বার। আমাদের অনেকেরই জানা জাহান্নামের দরোজা ৭ টি এবং জান্নাতের দরোজা ৮ টি।

সূরার শেষ আয়াতে বলা হলো, “কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।”

এই নাম দ্বারা ওই নামই উদ্দেশ্য যে নাম দ্বারা সূরা শুরু হয়েছে। যেন পুনরায় এ কথাই বলা হচ্ছে, আসমান-যমীনের সৃষ্টি, জান্নাত-জাহান্নামের অস্তিত্বসহ এই সূরায় যা কিছু আলোচিত হয়েছে, সব এই 'রাহমান'র রহমতের সুফল।

(অনিবার্য কারণে সময়ের স্বল্পতায় সূরা ওয়াকিয়া ও সূরা হাদিদের আলোচনা আজ লেখা সম্ভব হয়নি তাই পাঠকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।)

এমএফ/

আরও পড়ুন...
২৩তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
২২তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
২১তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
২০তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

১৯তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৮তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৭তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৬তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৫তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৪তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

১৩তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১২তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১১ তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১০ম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৭ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৫ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৪র্থ তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৩য় তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
২য় তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা