১৬তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

ঢাকা, ২৫ মে, ২০১৯ | 2 0 1

বিষয় :

১৬ তারাবীহ

১৬ রমযান

সূরা ফুরকান

সূরা শু’আরা

সূরা নামল

১৯ পারা

তারাবীহ’র আলোচনা

তারাবীহ’র বয়ান

আজকের তারাবীহ

সংক্ষিপ্ত তাফসীর

১৬তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

মুফতী জিয়াউর রহমান ৫:০০ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯

১৬তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

১৬তম তারাবীহ আজ। আজকের তারাবীহতে সূরা ফুরকানের ২১ নম্বর আয়াত থেকে সূরার শেষ ৭৭ নম্বর আয়াত এবং সঙ্গে সূরা শুআরা ও এর পরবর্তী সূরা সূরা নামলের ১ থেকে ৪৯ নম্বর আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করা হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১৯ নম্বর পারা। আজকের তারাবীহতে পঠিতব্য এ অংশটুকুতে আল্লাহ আমাদের কী বলেছেন, তিনি কী বার্তা দিয়েছেন- পাঠকদের জন্য সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো।

১. সুরা ফুরকান মক্কায় অবতীর্ণ সুরা। এতে ৭৭টি আয়াত ও ৬টি রুকু রয়েছে। এই সুরার প্রথম দুই রুকু ১৮নং পারার শেষের দিকে চলে গেছে। কুরআনে কারীমের আলোচনার মাধ্যমে সুরাটি শুরু হয়েছে। এই কুরআনের উপর মুশরিকরা নানা রকমের সংশয় ও আপত্তি উত্থাপন করে। আয়াতসমূহকে মিথ্যা সাব্যস্ত করে। একদল লোক তো কুরআনকে পূর্বেকার উম্মতের কিচ্ছা-কাহিনি সম্পর্কিত রচনা বলে। দ্বিতীয় আরেক দল বলে, এটি মুহাম্মদের (সা.) বানানো। আহলে কিতাব নাকি এই কুরআন বানাতে সহযোগিতা করেছে (নাউযুবিল্লাহ)। আরেক দলের ধারণা হলো, এটি মুহাম্মদের (সা.) যাদু (নাউযুবিল্লাহ)।

২. এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আলোচনা এসেছে। বিদ্বেষপূর্ণ লোকেরা তাঁকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কথা এসেছে। তাদের ধারণা ছিল- নবী মানুষ নয়, ফেরেশতা হবেন। আর যদি কোনো মানুষ নবী হন-ও, তাহলে স্বচ্ছল ও সমৃদ্ধশালী লোক নবী হবেন। কোনো গরীব, ইয়াতিম এই পদে ভূষিত হবে না। আল্লাহ তা’আলা এসব খামখেয়ালিপনা কথা ও অযথা দাবির খণ্ডন করলেন।

৩. ১৯নং পারাও শুরু হয়েছে তাদের এই অবাস্তব ও অনর্থক দাবির মাধ্যমে যে, আমাদের কাছে ফেরেশতা আসেন না কেন? অথবা আমরা আল্লাহকে দেখব। এর জবাবে বলা হলো, ফেরেশতাকে তখনই দেখা যাবে, যখন তারা মৃত্যুর সময় প্রাণ সংহার করতে আসবেন। জানা কথা তখন কারো জন্যে কোনো সুসংবাদ হবে না। আর কিয়ামতের দিন ঈমান না থাকার কারণে তাদের কোনো আমলও গ্রহণযোগ্য হবে না। সব ছাই হয়ে উড়ে যাবে। তারা কেবল আফসোস আর পরিতাপ করতে থাকবে।

৪. সেদিন আল্লাহর রাসূল অভিযোগের সুরে বলবেন, ‘হে আমার পালনকর্তা! তারা এই কুরআনকে ত্যাগ করে দিয়েছিল।’ ইবনুল কায়্যিম (রাহ.) বলেন, কুরআন ত্যাগ কয়েকভাবে হতে পারে।

এক. তারা কুরআন শ্রবণ করবে না, তার উপর ঈমান আনবে না।
দুই. কুরআন তিলাওয়াত করবে, এর উপর ঈমানও আনবে। কিন্তু কুরআনের উপর আমল করবে না।
তিন. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র ও উদ্ভূত সমস্যায় কুরআনের হুকুম বাস্তবায়ন করবে না। কুরআনকে ফয়সালাকারী বানাবে না।
চার. কুরআনের অর্থের প্রতি গভীর চিন্তা ও তাদাব্বুর করবে না।
পাঁচ. কুরআন থেকে আত্মিক রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করবে না।

প্রিয় পাঠক! সামনে অগ্রসর হবার আগে আমরা একটু থামি, তারপর পুরো উম্মতের ব্যাপারে একটু চিন্তা করি যে, আজ আমরা কুরআনকে কি পরিমাণ ত্যাগ করেছি। যেখানে আমরা ধ্বংসাত্মক রূহানি ও আখলাকি রোগে আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও কুরআনি চিকিৎসা আমরা গ্রহণ করছি না। অথচ সন্দেহাতীতভাবে কুরআনে রয়েছে রোগের চিকিৎসা। যার ফলে আমাদের রোগ শুধু বাড়ছে আর ধ্বংসের দিকে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।

৫. মুশরিকরা প্রশ্ন উত্থাপন করল তাওরাত, ইনজিলের মতো কুরআন কেন একসঙ্গে নাযিল হলো না? অথচ ধীরে ধীরে কুরআন নাযিলের মধ্যে কত উপকার। যেমন হিফয করা, অর্থ বোঝা, বিধানাবলী আহরণ করা এবং আমলে বাস্তবায়িত করা সহজ হয়ে আসে। কিন্তু এখানে আল্লাহ তাআলা একটি কারণ উল্লেখ করেছেন যে, এতে করে আপনার অন্তর কুরআনের নূরে নূরান্বিত হবে। কুরআনের অন্তর্নিহিত বিষয়াবলী এবং ইলম আপনার অন্তরের খোরাক হবে, শক্তি হাসিল হবে। একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বৃষ্টি ক্ষেতের জন্য ক্ষতিকর, অথচ সময়ে সময়ে বৃষ্টি বর্ষণ ফসলের জন্য খুবই উপকারী হয়ে থাকে।

৬. এই সুরার শেষের দিকে আল্লাহর বিশেষ বান্দাদের ১৩টি গুণাগুণ আলোচনা করা হয়েছে।

এক. যমীনে বিনয়াবনত হয়ে চলা।
দুই. মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা।
তিন. রাতে নামায ও ইবাদতে মগ্ন থাকে।
চার. জাহান্নামের আযাবের ভয় অন্তরে বিরাজ করে।
পাঁচ. খরচ করার ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করে। অপব্যয়ও করে না, কৃপণতাও করে না।
ছয়. শিরক থেকে সম্পূর্ণরূপে বেঁচে থাকে।
সাত. অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকে।
আট. ব্যভিচার এবং চরিত্রহীন কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে।
নয়. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া থেকে বিরত থাকে।
দশ. গান-বাজনা এবং খারাপ বৈঠক থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।
এগারো. আল্লাহর কালাম শুনে প্রভাবিত ও উপকৃত হয়।
বারো. আল্লাহ তাআলার কাছে নেককার স্ত্রী-সন্তান লাভ এবং পথপ্রদর্শক বানানোর দুআ করে। (৬৩-৭৪)

আল্লাহ তাআলা এই গুণগুলো আমাদের মধ্যে দান করুন। আমীন।

৭. সুরা শু’আরা মক্কায় অবতীর্ণ সুরা। ২২৭টি আয়াত এবং ১১টি রুকু রয়েছে। হুরূফে মুকাত্তা’আত দ্বারা শুরু হয়েছে এবং স্বাভাবিক নিয়মে কুরআনের আলোচনা হয়েছে। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের ইলম ও বিধিবিধান পৌঁছাতে এবং মানুষের হেদায়াতের ফিকির করতে গিয়ে নিজের প্রাণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতেন।

৮. অন্যদিকে বিরুদ্ধবাদীরা উপদেশ দেয়, পথ দেখাতে থাকে এবং কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়াকে জরুরি মনে করে।

১০. এরপর এই সুরায় কয়েকজন আম্বিয়া কেরামের কাহিনি আলোচনা করা হলো। মুসা আলাইহিস সালামের কাহিনির সূচনা করা হলো প্রথমে। তাঁকে আল্লাহ তাআলা নবুওয়াত দান করলেন। ফেরাউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাওয়ার হুকুম করলেন।

দাওয়াত নিয়ে যাওয়ার পর মুসা আলাইহিস সালাম ও ফেরাউনের কিছু কথোপকথন-

ফেরাউন: আমি তোমাদের লালন-পালন করেছিলাম।
মুসা: তোমার অনুগ্রহ প্রকাশের কী অধিকার থাকতে পারে? অথচ তুমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের গোলাম বানিয়ে রেখেছ।
ফেরাউন: মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক কিবতি হত্যার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো।
মুসা: আমি ইচ্ছা করে হত্যা করিনি। বরং ভুলে ঘটনাটি সংঘটিত হয়ে গেছে।
ফেরাউন: ‘রাব্বুল আলামীন’ কাকে বলে।
মুসা: এই আসমান-যমীন যিনি সৃষ্টি করেছেন। সমস্ত মাখলুকাতকে সৃষ্টি করেছেন। তোমাকেও যিনি সৃষ্টি করেছেন। তোমার বাপ-দাদাকেও যিনি সৃষ্টি করেছেন।

ফেরাউন ধমক দিয়ে উঠলো। এই কথাগুলোর দলিল চাইল। মু’জিযা দেখানোর কথা বলল। তিনি লাঠি জমিনে রাখতেই ভয়ঙ্কর সাপ হয়ে উঠল।

১২. দ্বিতীয় কাহিনি ইবরাহীম আলাইহিস সালামের। যাঁর পিতা আযর এবং কওমের লোকেরা মূর্তিপূজা করত। তাদেরকে ঈমান ও তাওহিদের দাওয়াত দিলেন। দলিল হিসেবে আল্লাহ তাআলার পাঁচ সিফাতের বর্ণনা দিলেন।

ক. তিনি আমার স্রষ্টা এবং পথপ্রদর্শক।
খ. তিনি রিযিকদাতা।
গ. তিনি আরোগ্যদাতা।
ঘ. তিনি জীবন-মরণ দান করেন।
ঙ. তিনি ইহ ও পরকালে গোনাহ মাফ করেন।

এই পাঁচ সিফাতের মোকাবেলায় পাঁচটি দুআ করলেন।

ক. হে আল্লাহ! আমাকে ইলম ও বুঝ দান করুন।
খ. মানুষের কাছে আমার ইতিবাচক আলোচনা জারি করে দিন।
গ. জান্নাতে আমাকে জায়গা করে দিন।
ঘ. আমার বাবাকে মাফ করে দিন। (তখন বাবার কুফরের উপর অবিচলতার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না)
ঙ. আমাকে পরকালে অপদস্থ করবেন না।

১৩. তৃতীয় কাহিনি হযরত নূহ আলাইহিস সালামের। যিনি স্বীয় সম্প্রদায়কে সাড়ে নয়শ’ বছর ঈমানের দাওয়াত দিয়েছিলেন। কিন্তু সামান্য মানুষ ছাড়া তারা দাওয়াত কবুল করে নি। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ডুবিয়ে মারলেন।

১৪. চতুর্থ কাহিনি হযরত হূদ আলাইহিস সালামের। যিনি আ’দ গোত্রের নবী ছিলেন। তাদেরকে আল্লাহ তাআলা শারীরিক শক্তি, বয়স, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন ইত্যাদি নিয়ামত দান করেছিলেন। তারাও ঈমান গ্রহণ করেনি। আল্লাহ তাআলা তাদেরকেও আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিলেন।

১৫. পঞ্চম কাহিনি হযরত সালেহ আলাইহিস সালামের। তাদেরকেও আল্লাহ তাআলা অনেক সমৃদ্ধি দান করেছিলেন। অনেক নিয়ামত দান করেছিলেন। কিন্তু তারা নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনি। উল্টো অকৃতজ্ঞতা ও অবাধ্যতায় জড়িয়ে পড়ার কারণে পরিণতি খুবই ভয়াবহ হয়। ধ্বংসে নিপতিত হয়।

১৬. ষষ্ঠ কাহিনি হযরত লূত আলাইহিস সালামের। যাঁর সম্প্রদায়ের লোক নাফরমানি, অন্যায়, প্রবৃত্তির পূজা, মন্দ স্বভাব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তারা এমন বদ-স্বভাবে জড়িয়ে পড়েছিল যে, এর পূর্বে কেউ এমন কাজে জড়ায়নি। আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে সেরকম বেনজির আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিলেন।

১৭. সপ্তম কাহিনি হযরত শুয়াইব আলাইহিস সালামের। তাঁর সম্প্রদায়কে আল্লাহ তাআলা নানা রকমের নিয়ামত দিয়েছিলেন। নানা কিসিমের বাগ-বাগিছা, নহর ইত্যাদি। কিন্তু তারাও আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে গেলো। তাদের অন্যতম গোনাহ ছিল তারা বান্দার হক আদায় করত না। বোঝানোর পরও যখন তারা ফিরল না। আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর আযাবের ফয়সালা করে দিলেন। অগ্নিবৃষ্টি আর ভূমিকম্পের মাধ্যমেই তারা কয়লা হয়ে গেল।

১৮. সুরার শেষের দিকে সাধারণ কবিদের আলোচনা করা হয়েছে। যারা আল্লাহকে ভুলে কাব্যরচনা করে। গোমরাহীর অনুসরণ করে। আবার ঈমানদার ও নেক আমলওয়ালা কবিদের প্রশংসাও করা হয়েছে।

১৯. সুরা নামল মক্কায় অবতীর্ণ সুরা। এতে ৯৩টি আয়াত এবং ৭টি রুকু রয়েছে। নামল অর্থ পিঁপড়া বা পিপীলিকা। যেহেতু এই সুরায় পিঁপড়ার কাহিনি বিবৃত হয়েছে, তাই এই নামে নামকরণ করা হয়েছে।

২০. এই সুরায় হযরত মুসা, সালেহ ও লূত আলাইহিমুস সালামের কাহিনি সংক্ষেপে আলোচিত হয়েছে। আর হযরত দাউদ ও তদীয় পুত্র হযরত সুলাইমান আলাইহিমাস সালামের আলোচনা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তাআলা মানুষ, জিন এবং পাখিদেরকে বশীভূত করে দিয়েছিলেন। তিনি পাখিদের ভাষাও বুঝতেন।

২১. একদিন সুলাইমান আলাইহিস সালাম সৈন্যবাহিনী নিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। যখন পিঁপড়াদের বসতি অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, তখন শুনলেন এক পিঁপড়া আরেক পিঁপড়াকে বলছে, জলদি ঘরে প্রবেশ করো, সুলাইমান ও তাঁর সৈন্যবাহিনী অজান্তেই তোমাদের পিষ্ট করে ফেলতে পারে। তিনি তাদের তাদের কথোপকথন শুনলেন এবং মুচকি হাসলেন। আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলেন।

২২. সুলাইমান আলাইহিস সালামের দরবারে নিয়মিত উপস্থিতির মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য পাখি ছিল যার নাম হুদহুদ। সে একদিন তাঁকে এক সাবা সম্রাজ্ঞী ও তার সম্প্রদায়ের ব্যাপারে এই সংবাদ দিলো যে, তারা সূর্যের পূজা করে। তিনি চিঠি পাঠিয়ে সম্রাজ্ঞী সাবাকে তার দরবারে ডেকে পাঠালেন। সম্রাজ্ঞী প্রথমে নিজের শক্তির উপর অনেক আস্থাশীল থাকলেও সুলাইমান আলাইহিস সালামের শক্তি-সামর্থের কাছে হার মানতে বাধ্য হলেন। দরবারে উপস্থিত হলেন। তারপর সম্রাজ্ঞী ঈমান গ্রহণ করে নিলেন।   

এমএফ/

আরও পড়ুন...
১৫তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১৪তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

১৩তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১২তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১১ তম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১০ম তারাবীহ: তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৭ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৫ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৪র্থ তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
৩য় তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
২য় তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা
১ম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

 

কুরআনের আলো: আরও পড়ুন

আরও