সপ্তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫

সপ্তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

শাইখ জিয়াউর রহমান ৫:১৫ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০১৮

সপ্তম তারাবীহ : তিলাওয়াতের বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ আলোচনা

আজ সপ্তম তারাবীহ। সূরা আনফালের অবশিষ্ট ৪১ নম্বর আয়াত থেকে ৭৫ নম্বর আয়াতসহ সূরা তওবার ১-৯৩ আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে দশম পারা। পরিবর্তন ডট কমের পাঠকদের জন্য আজকের তারাবীহতে তিলাওয়াতের বিষয়বস্তু ও সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হল।

১. দশ নং পারায় সুরা আনফালের কিছু অংশ রয়ে গেছে৷ 'আনফাল' শব্দ 'নফল' এর বহুবচন৷ তার অর্থ হচ্ছে, গনীমতের মাল বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ৷ দশ নং পারার শুরুতে আল্লাহ তাআলা সেই গনীমতের সম্পদের ব্যাপারে বললেন, পুরা গনীমতের এক পঞ্চমাংশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য, তাঁর নিকটাত্মীয়, ইয়াতিম, মিসকীন এবং মুসাফিরদের জন্য৷ অবশিষ্ট চার অংশ মুজাহিদদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হবে৷

২. গনীমত বণ্টনের আলোচনার পর আবারও বদর যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণের দিকে গেলেন৷ এটি কুরআনে কারীমের এমন এক বর্ণনাশৈলী যে, যেন শ্রোতারা এই যুদ্ধের মূল চিত্র স্বচক্ষে দেখছেন৷ যেমন বলা হচ্ছে- আর যখন তোমরা ছিলে সমরাঙ্গনের এ প্রান্তে আর তারা ছিল সে প্রান্তে অথচ কাফেলা তোমাদের থেকে নিচে নেমে গিয়েছিল৷

৩. যখন উভয় বাহিনী মুখোমুখি হলো, কাফিররা মুসলমানদের অনেক কম দেখল, ঠিক তদ্রূপ মুসলমানদেরকেও কাফিরদের সংখ্যা কম দেখানো হলো৷ এটা এজন্যে, যাতে কোনো পক্ষই প্রতিপক্ষের প্রতি ভীত হয়ে যুদ্ধ না করে চলে না যায়৷ কারণ এই যুদ্ধ সংঘটিত হওয়া আল্লাহ তাআলার সিদ্ধান্তকৃত বিষয় ছিলো৷

৪. আল্লাহ তাআলা বদর যুদ্ধে মুসলমানদের সাহায্যের আলোচনার পর আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্তির চার মূলনীতি আলোচনা করলেন৷
এক. যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়পদ থাকা৷
দুই. অধিক পরিমাণে আল্লাহকে স্মরণ করা৷
তিন. পরস্পর মতানৈক্য এবং ঝগড়া-বিবাদ থেকে বেঁচে থাকা৷
চার. শত্রুর মোকাবেলায় স্বভাববিরুদ্ধ বিষয় সামনে এলে ধৈর্যধারণ করা৷

৫. বদর যুদ্ধে কুরাইশের উপর যে অপদস্থতা এবং বিপদ এসেছে, তার কারণ বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলার নিয়ম হচ্ছে, যখন কোনো সম্প্রদায় 'শোকর' করার বদলে 'কুফর' করে, আনুগত্যের স্থলে নাফরমানি শুরু করে দেয়, তখন আল্লাহ তাআলাও ব্যবহার পরিবর্তন করে দেন৷ নিয়ামতের স্থলে সংকট এবং আরামের স্থলে মুসিবতে নিপতিত করে দেন৷

৬. বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মুসলমানদের এই নির্দেশনা দেয়া হলো যে, শত্রুর মোকাবেলার জন্য অস্ত্রবল, লোকবল, এবং রূহানী শক্তির পরিপূর্ণ প্রস্তুতি প্রয়োজন৷ আল্লাহ তাআলা সেই নির্দেশনাই দিয়েছেন সুরা আনফালের ৬০ নং আয়াতে৷ অথচ বাস্তবতা হলো, বদর যুদ্ধে অস্ত্রের প্রস্তুতি পরিপূর্ণ ছিলো না৷ এটা তো আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ এবং সাহায্যের ফলশ্রুতি যে, অস্ত্র ও লোকবলের অপ্রতুলতা এবং বড় আকারের অসমতা সত্ত্বেও মুসলমানদেরকে বিজয় দিয়েছেন৷ কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য এই হুকুম দিয়েছেন যে, যাতে সব দিক দিয়ে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া হয়৷ তবে অন্য শক্তির চেয়ে রূহানি এবং ঈমানী শক্তিই বেশি গুরুত্ব রাখে৷

৭. কাফিরদের মোকাবেলায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুসলমানদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট৷ রাসূলের প্রতি মুসলমানদেরকে জিহাদের জন্য উৎসাহিত করার নির্দেশ এসেছে৷ এবং বলা হয়েছে, দু'শো কাফিরের মোকাবেলায় বিশজন দৃঢ়পদ ব্যক্তিই বিজয় অর্জনের জন্য যথেষ্ট৷

৮. বদর যুদ্ধে ৭০ মুশরিক গ্রেফতার হলো৷ তাদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য অভ্যাসমতো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের পরামর্শ চাইলেন৷ উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুসহ কিছুসংখ্যক সাহাবি তাদেরকে হত্যার পরামর্শ দিলেন৷ অপরদিকে আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুসহ আরো কিছুসংখ্যক সাহাবি তাদের থেকে মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দিলেন৷ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই পরামর্শ মনঃপুত হলো৷ তাই এর উপর ফয়সালা দিয়ে দিলেন৷ কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হলেন৷ ধমক দিয়ে আয়াত নাযিল করলেন৷ যদিও মুক্তিপণ হালাল রেখে দিলেন৷ (৬৮)

৯. সুরার শেষের দিকে যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হিজরত করে এবং যারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাআলা উভয়কে একে অপরের বন্ধু সাব্যস্ত করলেন৷ তারা একে অপরকে সাহায্য করে, আশ্রয় দেয়, তারাই সত্যিকারের মুমিন৷ মোটকথা এই সুরা শুরু হয়েছে জিহাদ এবং গনীমতের আলোচনা দ্বারা আর শেষ হয়েছে হিজরত ও নুসরাত দ্বারা৷

১০. সুরা তাওবা ১২৯ আয়াত ও ১৬ রুকু বিশিষ্ট সুরা৷ যার আরেক নাম সুরা বারাআহ৷ এই সুরার নামকরণ 'বারাআহ' এজন্য করা হয়েছে যে, এতে মুশরিকদের সম্পর্কচ্ছেদ ও তাদের ব্যাপারে দায়িত্বমুক্তির উল্লেখ করা হয়েছে৷ আর 'তাওবা' বলা হয় এজন্য যে, এতে মুসলমানদের তাওবা কবুল হওয়ার বর্ণনা রয়েছে৷ এ সুরার ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হলো, কুরআনের মাসহাফে এর শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' লেখা হয় না৷ অথচ অন্যান্য সুরার বেলায় 'বিসমিল্লাহ' লেখা হয় এবং এটাই নিয়ম৷ এর কারণ হলো, অন্যান্য সুরা নাযিলের সময় 'বিসমিল্লাহ'সহ নাযিল হতো, যাতে বোঝা যায় এই সুরা শেষ হয়ে আরেক সুরা নাযিল হচ্ছে৷ সে অনুযায়ী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও ওহী লেখকদের 'বিসমিল্লাহ' লেখার নির্দেশ দিতেন৷ কিন্তু এই সুরা যখন নাযিল হয়, তখন 'বিসমিল্লাহ'সহ নাযিল হয় নি৷ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও লেখার নির্দেশ দেন নি, এ অবস্থায়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকাল হয়ে যায়৷

১১. মুশরিকদের সাথে তো সম্পর্কচ্ছেদ ও দায়িত্বমুক্তির ঘোষণা এসেছে এই সুরা নাযিলের মাধ্যমে৷ তখন ছিলো হজ্বের মাস, যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধের মাস৷ বলা হচ্ছে, নিষিদ্ধ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর চুক্তি ভঙ্গকারী, বিশ্বাসঘাতক মুশরিকদের ছাড় দেয়া যাবে না৷ কিন্তু যারা চুক্তি ভঙ্গ করে নি, তাদের মেয়াদ অবধি অবকাশ দেয়ার আদেশ দেয়া হয়৷ আবার বলা হচ্ছে, তাদের কেউ যদি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তাহলে তাকে আশ্রয় দেবেন, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে পায়৷ তারপর তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেবেন৷

১২. এই সুরা নবম হিজরিতে তাবুক যুদ্ধের প্রাক্কালে নাযিল হয়েছে৷ এই সময় প্রচণ্ড গরম, দীর্ঘ সফর ও গাছে গাছে পাকা ফসল ছিলো, যা তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন ছিলো৷ আর সামনে শত্রু হিসেবে মোকাবেলায় এমন শক্তি, যারা সেই সময়ের সুপার পাওয়ার ছিলো৷ মোটকথা এই সফর ঈমানদারদের জন্য ঈমান ও ইখলাসের এক কঠিন পরীক্ষা ছিলো৷ মুমিন ও মুনাফিকের মাঝে বিভাজন রেখা সৃষ্টি হয়ে গেলো৷ মোটকথা সুরা তাওবার মৌলিক শিক্ষা দুইটি৷ এক. মুশরিক এবং আহলে কিতাবের সঙ্গে জিহাদের বিধান বর্ণনা করা৷ দুই. তাবুক যুদ্ধের পটভূমিতে মুমিন ও মুনাফিকের মাঝে ব্যবধান সুস্পষ্ট হয়ে যাওয়া৷ মানুষ জেনে নিলো কারা প্রকৃত মুমিন আর কারা মুমিন বেশধারী মুনাফিক৷

১৩. আল্লাহর ঘর আবাদের যোগ্যতা মুশরিকদের নেই৷ আল্লাহর ঘর আবাদ করবে তো তারা, যারা মুমিন, আখেরাতের দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সালাত আদায় করে, যাকাত দেয় আর আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না৷ আল্লাহ তাআলার কাছে হাজীদের পানি সরবরাহ আর মসজিদে হারাম আবাদকরণের চাইতে যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করেছে, তাদের মর্যাদা বেশি৷

১৪. মুশরিকদের অপবিত্র হওয়ার আলোচনা এবং পরের বছর থেকে মসজিদে হারামের কাছেও না আসার নির্দেশনা জারি৷

১৫. কুফরী শক্তি মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূর তথা সত্য দ্বীনকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়, কিন্তু আল্লাহ নিজের নূর তথা দ্বীনে ইসলামকে পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করবেন, কাফের-মুশরিকদের যতই মর্মপীড়ার কারণ হোক না কেন? এরপর বলা হচ্ছে, রাসূলকে কুরআন ও সত্য দ্বীন-ইসলাম সহকারে এজন্য প্রেরণ করেছেন, যাতে অপরাপর সকল দ্বীনের উপর ইসলামের বিজয় সূচিত হয়৷

১৬. এরপর দুনিয়া লোভী আলেম ও পীর-পুরোহিতদের অর্থের লোভে মিথ্যা ও ভুল ফতোয়া প্রদানে মানুষের বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ এজন্য অর্থলিপ্সার তরুণ পরিণতি ও কঠোর সাজার বিষয়টি তুলে ধরা হয়৷ যারা সোনা-রোপা জমা করে রাখে, আল্লাহর পথে খরচ করে না, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ প্রদানের কথা বলা হয়৷

১৭. এরপর যাকাত-সদকা ব্যয়ের আটটি খাতের আলোচনা এসেছে৷ ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায়কারী, নওমুসলিম বা অমুসলিম তাদের চিত্ত আকর্ষণের ব্যবস্থাস্বরূপ যাকাত প্রদান, দাস-মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্যে, আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্য৷ এই হলো, আল্লাহর নির্ধারিত বিধান৷ মাসারিফে যাকাত বা যাকাত প্রদানের খাতসমূহ৷

১৮. মুনাফিক নর-নারী এদের স্বভাব একই রকম৷ মন্দ কথা শেখায়, ভালো কথা থেকে বারণ করে৷ মুনাফিক নর-নারীর জন্য আল্লাহ জাহান্নামের ওয়াদা করেছেন৷ পক্ষান্তরে ঈমানদার নর-নারী একে অপরের সহায়ক৷ তারা ভালো কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে৷ সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করে৷ তাদের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ এবং জান্নাতের প্রতিশ্রুতি৷

১৯. মুনাফিকরা জিহাদে না গিয়ে আনন্দ লাভ করতে লাগল৷ তারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করাকে অপছন্দ করত এবং বলত, এই গরমের মধ্যে অভিযানে বের হয়ো না৷ আল্লাহ বলেন, তাদের বলে দাও জাহান্নামের আগুন আরো প্রচণ্ড৷ তারা সামান্য হেসে নিক, কৃতকর্মের কারণে তারা অনেক বেশি কাঁদবে৷

২০. আল্লাহ তাআলা ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে বললেন, মুনাফিকরা কসম করে অজুহাত পেশ করে বলবে, আমদের যদি সামর্থ থাকত, তাহলে আমরা তাবুকে আপনাদের সঙ্গে যেতাম৷ বাস্তবেই এমনটা ঘটল, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাবুক থেকে ফিরলেন, মুনাফিকরা মিথ্যা অজুহাত পেশ করতে লাগল৷ কেউ কেউ তো বাঁচার জন্য হাস্যকর ওজর পেশ করল৷ যেমন একজন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার অন্তর খুবই দুর্বল৷ আমি যদি জিহাদে যাই, তাহলে সেখানে রোমীয় নারীদের সৌন্দর্যের মোহে পড়ে ফিতনায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা হয় আমার!

২১. মুনাফিকদের অন্তর মুসলমানদের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষে ভরপুর৷ যদি কোথাও মুসলমানরা বিজয়ী হয়, গনীমত পায়, তখন তারা হিংসায় পেরেশান হয়ে যেত৷ আর কোথাও মুসলমানদের সামনে বিপদ-বিপর্যয় এলে তারা খুবই আনন্দিত হতো৷ তাদের দৃষ্টি এবং মোহ কেবল সম্পদের প্রতি৷ কোথাও কিছু সম্পদ পেয়ে খুশি হতো, না পেলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিন্দা করত৷

২২. তাদের অন্তর আল্লাহর ভালোবাসা, তাঁর স্মরণ ও কৃতজ্ঞতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত৷ জানা কথা আল্লাহর মর্যাদা যার অন্তরে নেই, তার পক্ষে আল্লাহর বিরুদ্ধাচারণ ও নাফরমানি করা খুবই সহজ হয়ে যায়৷

২৩. দশ নং পারার শেষের দিকে আল্লাহ তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লক্ষ্য করে বললেন, আপনি যদি তাদের পক্ষে ৭০ বারও ইস্তেগফার করেন, তবুও তাদের ক্ষমা নেই৷ এবং তাদের কেউ মারা গেলে আপনি তাদের জানাযা পড়াবেন না৷

এমএফ/