বর্ষার সাথী ছাতার ইতিহাস

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

বর্ষার সাথী ছাতার ইতিহাস

পরিবর্তন ডেস্ক ১:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৯

বর্ষার সাথী ছাতার ইতিহাস

বর্ষা চলছে। এই ঋতুতে বৃষ্টি যেমন উপভোগ্য, তেমন বিরক্তিও দেয়। মাথায় বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে গা বাঁচানোর জন্য সবার আগে মনে পড়ে ছাতার কথা। তখন ঘরের কোণে পড়ে থাকা ছাতাটির খোঁজ পড়ে। অথচ ইতিহাস বলে ছাতার উদ্ভাবন হয়েছিল রোদ ঠেকাতে।

খ্রিস্টজন্মের প্রায় ১২০০ বছর আগে মিশরে যে ছাতার চল হয়েছিল, তা ব্যবহৃত হতো রাজাগজা ও অভিজাতদের খররোদ থেকে রক্ষা করার জন্য। রোদ ঠেকানো ছাতাকে বলা হতো ‘প্যারাসোল’। ‘আমব্রেলা’ বলে যে ছাতাটির সঙ্গে এখন আমাদের ঘনিষ্ঠতা, সেটি তৈরি হয়েছিল বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে।

এখন ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন রঙের এক রঙা ও নকশা করা প্যারাসুট কাপড়। মানভেদে দুই ভাঁজের ছাতার দাম ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা। তিন ভাঁজের ছাতার দাম ৩৫০ থেকে ১১০০ টাকা। আমদানিকারকেরা চীন থেকে এসব ছাতা এনে তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে বাজারজাত করছেন। এটলাস, মুন, শংকর, রহমান— এসব প্রতিষ্ঠানের নামে চলছে ভাঁজ করা ছাতা।

লোহার শিকের ৩০ ইঞ্চি ঘেরের বাংলা ছাতার দাম ৩৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। ‘শরিফ ছাতা’, ‘ইজতেমা ছাতা’ ও ‘এটলাস ছাতা’ বাংলা ছাতার এই তিনটি প্রধান ব্র্যান্ড।

বৃষ্টির বিপত্তি থেকে গা বাঁচাতে ছাতার সাহচর্য দরকার হবে আরও মাসখানেক। অনেক রকম ছাতাই আছে বাজারে। লম্বা বাঁটের সাবেকি ছাতা ‘বাংলা ছাতা’ বলে যার পরিচিতি, এগুলোর চল এখন কমে এসেছে।

ছাতার পাইকারি দোকানগুলোতে চীনের তৈরি হরেক রকমের ভাঁজ করা ছাতা বিক্রি হচ্ছে প্রচুর। এসব ছাতা দুই ভাঁজ ও তিন ভাঁজ করে রাখা যায়।

দিনে দিনে মানুষের রুচি-অভ্যাসও তো বদলে গেছে। কাজের সময় বোতাম চেপে মাথার ওপর মেলে ধরা, কাজ ফুরোলে ভাঁজ করে হাতব্যাগে পুরে ফেলার মতো জিনিস পেলে কে যাবে ঢাউস আকারের সাবেকি আমলের ছাতা বয়ে বেড়াতে? উপরন্তু মাথার ওপর মেলে ধরা এসব বাহারি ছাতা সাজসজ্জার বাহারও খুলে দেয়।

ইসি/

 

কেনাকাটা: আরও পড়ুন

আরও