এসি কেনার সময় যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

এসি কেনার সময় যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:৩২ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৮

এসি কেনার সময় যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন

গরম তাড়ানোর জন্য শুধু এসি কিনলেই হবে না। এসি কেনার সময় অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তবে যারা এখনো এসি কিনে উঠতে পারেননি কিন্তু কিনতে চান এবং যারা কোন এসি কিনবেন এখনো বুঝে উঠতে পারেননি, তাদের জন্য গরম পড়লেই এসি-র বিক্রি অনেকটা বেড়ে যায়। আপনিও কি ভাবছেন এবারের গরমে এসি কিনবেন? তাহলে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস।

স্‌প্লিট না উইনডো? তুলনামূলকভাবে উইনডোর থেকে অনেকটাই এগিয়ে স্‌প্লিট এসি। দেখতে অনেক বেশি স্মার্ট। উইনডো এসি-র ক্ষেত্রে পুরো সেটআপ-টাই একসঙ্গে থাকে। স্‌প্লিট এসি-র ক্ষেত্রে অনেকটা অংশ মূল এসি-র থেকে দূরে থাকে। ফলে উইনডো এসিতে শব্দ হয় কিন্তু স্‌প্লিট এসিতে কোনো শব্দ হয় না।

এগুলো ছাড়াও আর একটা সুবিধা হল জানলা। ঘরে উইনডো এসি বসালে একটা জানলা দখল হয়ে যায়। আলো-বাতাসও কমে যায়। কিন্তু স্‌প্লিটের ক্ষেত্রে তা হয় না। তবে সুবিধা যেখানে বেশি দাম তো একটু বেশি হবেই। দেখা গিয়েছে উইনডোর থেকে স্‌প্লিট-এর বাজারদর ন্যূনতম বেশি হয়ে থাকে।

আপনি কি ইনভার্টার এসি কিনতে চান? সাধারণ আর ইনভার্টার এসির মধ্যে গুলিয়ে ফেলবেন না। নামের আগে ইনভার্টার আছে তাই বিদ্যুৎ চলে গেলেও এসি চলবে, এমনটা ভাবলে ভুল করছেন।

সাধারণ এবং ইনভার্টার এসির মূল তফাৎ এটা বিদ্যুতের সাশ্রয় করে। এসির কম্প্রেসরকে খুব ধীরগতিতে সক্রিয় রেখে বিদ্যুৎ অপচয় কমানোই মূল লক্ষ্য ইনভার্টার এসির। ফলে প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল অনেক কম আসে। সাধারণ এসির থেকে অনেক বেশি সময় ঘর ঠান্ডা রাখে।

এসির প্রসঙ্গ এলেই সঙ্গে টনের হিসাবও চলে আসে। অনেকেই ভাবেন টন আসলে ওজন। কিন্তু সেটা ভুল ধারণা। প্রতি ঘণ্টায় যে পরিমাণ তাপ এসি বের করতে পারে, এটা তার পরিমাণ। বাজারে ১.৫ টন, ২ টন এসি রয়েছে। তবে নিজের মতো কিনে নেবেন না। দোকানে প্রতিনিধিকে ঘরের মাপ অবশ্যই জানাবেন। আপনার ঘরের জন্য কত টনের এসি দরকার।

দেখে থাকবেন এসি-র গায়ে স্টিকারে বেশ কিছু স্টার রেটিং করা রয়েছে। ১ থেকে ৫ পর্যন্ত রেটিংই থাকে সাধারণত। একে বিইই বা ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি বলা হয়। আপনার এসি কতটা বিদ্যুৎ খরচ করে, এটা তারই রেটিং।

ইসি/