ন্যাসভ্যাক নামা

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯ | 2 0 1

ন্যাসভ্যাক নামা

ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৭

ন্যাসভ্যাক নামা

ন্যাসভ্যাক হচ্ছে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দুটি এন্টিজেনের একটি কম্বিনেশন। এই এন্টিজেন দুটি হলো HBsAg এবং HBcAg । ৯০’র দশকের শেষের দিকে কিউবার সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি এই এন্টিজেন দুটি সিনথেসিস করে। তবে এর আগে পরে পৃথিবীর নানা দেশে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও এই এন্টিজেন দুটি সিনথেসিস করেছিল। প্রথম দিকে এই এন্টিজেন দুটি মূলত গবেষণাগারে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস সংক্রান্ত গবেষণায় ব্যবহার করা হতো। তবে কখনই পৃথিবীর কোথায় কোনো বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক এই কম্বিনেশনটি হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত রোগিদের দেহে প্রয়োগ করেননি।

ওষুধ হিসেবে ন্যাসভ্যাক-এর যাত্রা শুরু ২০১০ সালে। এ সময় বাংলাদেশে আমি প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে একটি ফেজ-১/২ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করি। এই ট্রায়ালের কো-পিন্সিপ্যাল ছিলেন ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর। এতে আমরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হই যে, ন্যাসভ্যাক হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত রোগি, যারা ইতোপূর্বে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জন্যে কোনো ধরনের ওষুধ গ্রহণ করেননি, তাদের ক্ষেত্রে শুধু কার্যকরই না বরং নিরাপদও বটে।

এরও আগে ডা. আকবর ১৯৮৮ সাল থেকেই ন্যাসভ্যাক নামক কম্বিনেশনটিকে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জন্য একটি ওষুধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষে জাপানে হেপাটাইটিস বি ট্রান্সজেনিক ইঁদুর ও মানুষের উপর একাধিক গবেষণা পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের অন্যান্য এন্টিজেনগুলো নিয়েও গবেষণা করেন। এইসব গবেষণার ফলশ্রুতিতে জাপানে এহিমি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ত্রিশ জনেরও বেশি জাপানি ও বিদেশি চিকিৎসক ডা. আকবরের সুপারভিশনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৮ সালে ডা. আকবর মূলত বাংলাদেশে ন্যাসভ্যাক গবেষণায় আরো বেশি সময় ব্যয় করার জন্য এহিমি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে দেন।

পরবর্তীতে আমি এবং ডা. আকবর প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর এবং কো-প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে বাংলাদেশে ন্যাসভ্যাকের একটি ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করি। ৯০’র দশকে কিউবায় সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজির তৈরি করা HBsAg এবং HBcAg স্থান ছিল শুধুই গবেষণাগারে, আর ২০১৫-তে এসে বাংলাদেশে বসে আমি আর ডা. আকবর, এই দুই বাঙ্গালি প্রমাণ করি যে ন্যাসভ্যাক হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত ট্রিটমেন্ট নাইভ রোগিদের জন্য খুবই কার্যকর ও নিরাপদ একটি ওষুধ। শুধু তাই-ই না, ন্যাসভ্যাকের কার্যকর ডোজ, ডিউরেশন এবং রুট অব এডমিনিস্ট্রেশন এসব কিছুই আমাদেরই নির্ধারণ করা।

ক্যামব্রিজ ডিকশনারিতে Discovery শব্দটির অর্থ লেখা হয়েছে, It is the process of finding information, a place or and object, especially for the first time, or the thing that is found সেই অর্থে HBsAg এবং HBcAg এন্টিজেন দুটির কম্বিনেশন অর্থাৎ ন্যাসভ্যাককে সাধারণ একটি মলিকিউল থেকে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত অসুস্থ মানুষের জন্য কার্যকর একটি ওষুধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা নিঃসন্দেহে একটি 'Discovery' Ges GB Discovery এর কৃতিত্ব শুধুমাত্র আমার ও ডা. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবরের।

একটু সহজভাবে বলতে গেলে- ধরুন রাইট ব্রাদার্স প্রমাণ করেছিলেন যে পাখি না হয়েও মানুষ যন্ত্রের সাহায্যে আকাশে ডানা মেলতে পারে আর আজ আমরা বোয়িং কিংবা এয়ারবাস কোম্পানির তৈরি করা বিমানে বিশ্ব চড়ে বেড়াই। কিউবার সরকার তার প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত করেছেন আর বাংলাদেশেও আমরা পেয়েছি প্রফেশনাল কলিগ, মিডিয়া আর সবচেয়ে বড় কথা আমাদের রোগিদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা। এরও মাঝে খেদ এই যে, কোনো একজন ‘অর্বাচীন’ ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক শত্রুতার বশবর্তী হয়ে বাঙ্গালির এই অর্জনকে খাট করছে। দেশের মানুষের প্রশংসা নয়, বরং কিউবার ‘কমার্শিয়াল’ প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। আর আমার এবং ডা. আকবরের কষ্টার্জিত 'Discovery' নানাভাবে কলঙ্কিত করতে খামোখা ‘মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে’।

মিথ্যার বেসাতি করতে যেয়ে বলা হয়েছে কিউবানরা নাকি এহিমি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ লিভার ফাউন্ডেশন ও লিভার রিসার্চ সেন্টার, ফ্রান্সের পাস্তুর ইনস্টিটিউট, ভেনিজুয়েলার ইনস্টিটিউট অব সাইন্টিফিক রিসার্চ এবং জার্মানির হেনোভার ইনস্টিটিউটের সাথে যৌথ গবেষণায় ন্যাসভ্যাক Discover করেছে। আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, লিটারেচার ঘেঁটে কেউ এ সম্বন্ধে একটি বৈজ্ঞানিক পাবলিকেশনও দেখাতে পারবেন না।

বলে রাখা ভালো এহিমি বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাসভ্যাক নিয়ে আজ পর্যন্ত যা কাজ হয়েছে তার প্রতিটি ডা. আকবরের সুপারভিশনেই হয়েছে। আগেই বলেছি তিনি বাংলাদেশে ন্যাসভ্যাকের ট্রায়ালে সময় দেওয়ার জন্য এহিমি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে দেন। এই মুহূর্তে এহিমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাসভ্যাকের ক্লিনিক্যাল পরিচালিত হচ্ছে। এর দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক হিয়াসা আর আমি এবং ডা. আকবর, আমরা দুজনই সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি। বাংলাদেশে আমাদের সফল ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরিপ্রেক্ষিতেই জাপানে এই ট্রায়ালটি শুরু হয়েছে এবং এই জন্য জাপানের ওই সরকারি শীর্ষ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়টি আমাকে একজন ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

শুধু আমার ও ডা. আকবরের বরং বাংলাদেশের এই অর্জনকে খাটো করতে যেয়ে অর্বাচীনরা দেশের সরকার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানকেও অপমানিত করছে। বলা হয়েছে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত আর বাংলাদেশে ট্রায়াল করা হয়েছে এই অজুহাতে নাকি ন্যাসভ্যাক বাংলাদেশে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। যেই ভদ্রলোকের ব্লগ থেকে এই মিথ্যাচারটির সূচনা তিনি পেশায় চিকিৎসক। কখনো ডাক্তারি না করলেও ওষুধ শিল্পের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা। আর অন্যজন চিকিৎসক, তবে সুযোগ সন্ধানী রাজনীতির সুবাদে, সাবেক বিরোধীদলের প্রতীকে একাধিকবার জাতীয় সংসদে যাবার সুযোগ তিনি পেয়েছেন। তার আপন বোন আমাদের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা! অতএব ধরে নিতেই পারি যে তারা দুজনই এদেশে ওষুধ রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। তাদের জানা উচিৎ যে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত বা বাংলাদেশে ট্রায়াল করা হয়েছে এমন যুক্তিতে কোনো ওষুধ রেজিস্ট্রেশনের কোনো সুযোগ আমাদের প্রচলিত আইনে নেই। শুধুমাত্র ব্রিটিশ বা আমেরিকান ফার্মাকপিয়ায় নিবন্ধিত, কিংবা আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত অথবা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় এবং নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত কোনো ওষুধই এদেশে রেজিস্ট্রেশনের জন্য বিবেচিত হতে পারে। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর ৫.৪% হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত মানুষের কল্যাণে আসবে এবং রোগিদের জন্য নিরাপদ বলে প্রমাণিত বলেই আমাদের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ন্যাসভ্যাককে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনছেন।

বলে রাখা ভালো বাংলাদেশে যদি ন্যাসভ্যাককে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয় তবে আমরা হব এক্ষেত্রে ষষ্ঠ দেশ। আমার এবং ডা. আকবরের ট্রায়ালের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে কিউবা, বেলারুশ, ইকুয়েডর, নিকারাগুয়া ও এঙ্গোলাতে ন্যাসভ্যাক রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে।

সত্যি কথা বলতে ন্যাসভ্যাকই হচ্ছে প্রথম ওষুধ যা বাংলাদেশে ট্রায়ালের মাধ্যমে বিদেশে রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে এবং এদেশেও রেজিস্ট্রেশন পেতে যাচ্ছে বলে আশা করা যায়। ইতোপূর্বে যেকোনো ওষুধ ভিনদেশে ট্রায়ালের ডাটার ভিত্তিতে এদেশে রেজিস্ট্রেশন পেত। অর্থাৎ ন্যাসভ্যাকই প্রথম ওষুধ যা বাংলাদেশের রোগিদের জন্য নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত প্রথম ওষুধ হিসেবে বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন পেতে যাচ্ছে। দেশের ওষুধ প্রশাসনকে এমন সাহসী পদক্ষেপের জন্য অভিনন্দন না জানিয়ে এসব দেশ বিরোধীরা বরং আমাদের ওষুধ প্রশাসনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। অর্বাচীনরা জানে না যে এটা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসন। তিনি সিটিসেলের মত কাউকে কখনও মনোপলি ব্যবসা করতে দেবেন না। ওষুধ প্রশাসন কোনো কোম্পানিকে কোনো ওষুধ রেজিস্ট্রেশন করতে দিবেন এটি সম্পূর্ণই তাদের এখতিয়ার। এখানে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের কোনো ভূমিকা ও প্রাপ্তি নেই। তবে আমি এটুকু জানি, আজ যদি একটি কোম্পানি বাংলাদেশে ন্যাসভ্যাক তৈরি করার অনুমতি পায়, তবে আগামীকাল এদেশে নিবন্ধিত যেকোনো ফার্মাসিউটিক্যালই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে ন্যাসভ্যাক তৈরি ও মার্কেটিং করতে পারবে। এখানে মনোপলি ব্যবসার কোনো সুযোগই নেই।

আমি বিনীতভাবে সবাইকে অনুরোধ করতে চাই যে, ন্যাসভ্যাক বিষয়ে আপনাদের কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করবেন এবং কোনো বিষয়ে উত্তর খুঁজে পাওয়ার জন্যে বৈজ্ঞানিক লিটারেচারকে প্রাধান্য দিবেন। আমি শীঘ্রই ন্যাসভ্যাক বিষয়ে আমার এবং ডা. আকবরের পাবলিকেশন এবং কনফারেন্স প্রেজেন্টেশনের তালিকা আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ জানাই এটি অনুধাবন করবার জন্য যে বিষয়টি বাংলাদেশের সম্মানের সাথে জড়িত। ব্যক্তিগত অথবা রাজনৈতিকভাবে আমার বা আকবর ভাইয়ের সাথে যে কারো দূরত্ব থাকতেই পারে। তবে তার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত কোনো বিষয়কে বিতর্কিত করে দেশের সম্মানহানি করবেন না। তবে আমি এও বলতে চাই যে, ব্যক্তিগত কোনো প্রাপ্তি বা কোনো সম্মান আমার কাছে বড় বিষয় নয়। ন্যাসভ্যাক যে একদিন এই পর্যায়ে আসবে সেটা জেনে আমি বা ডা. আকবর এটা শুরু করিনি। বিজ্ঞানের আনন্দ থেকে করেছি। ক্লিনিশিয়ান হিসেবে আমাদের সন্তুষ্টি এখানেই যে, আমরা আপনাদের কাছে স্বীকৃতি পাই আর না-ই পাই, আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগি ন্যাসভ্যাকে উপকৃত হবেন। সুন্দর হবে তাদের জীবন। এটাই আমার ও ডা. আকবরের কাছে সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি, সর্বোত্তম দেশ সেবা। সেই দেশপ্রেম নিয়েই আমরা কাজ করছি, কাজ করেই যাব।

সেই প্রেক্ষিতে জানিয়ে রাখি, আমি এবং আমার টিম এরিমধ্যে বাংলাদেশে লিভার ক্যান্সার রোগিদের চিকিৎসায় সর্বাধুনিক ‘ট্রান্স আর্টারিয়াল কেমো এম্বোলাইজেশন (টেইস)’ আরম্ভ করেছি। আমি গর্বের সাথে বলতে পারি যে, আমি এবং আমার টিমের ছয়জন লিভার বিশেষজ্ঞ ছাড়া বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী আর কোনো কেউ এখনও টেইস করার সাহস দেখায়নি। ডা. আকবরের সহযোগিতায় আমরা এ দেশে গর্বের সাথে লিভার ফেইলোর রোগিদের জন্য ‘অটোলোগাস স্টেম সেল থেরাপি’ শুরু করছি। এরিমধ্যে আমরা এ বিষয়ে দুটি আন্তর্জাতিক প্রকাশনা করেছি এবং আরো একটি আর্টিকেল প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। শীঘ্রই আমরা ডা. আকবরের পরামর্শে এদেশে লিভার ক্যান্সার রোগিদের জন্য ‘সেল থেরাপি’এবং ‘এন্টিজেন-পালসড সেল থেরাপি’ও আরম্ভ করতে যাচ্ছি।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে একটি আদর্শে বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমাকে পিছপা হতে শেখায় না। আমার প্রয়াত পিতাও আমাকে পিছু হটতে শিখিয়ে যাননি। আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ‘ন্যাসভ্যাক আমার শেষ না, সবে শুরু।’

লেখকদের উন্মুক্ত প্লাটফর্ম হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে মুক্তকথা বিভাগটি। পরিবর্তনের সম্পাদকীয় নীতি এ লেখাগুলোতে সরাসরি প্রতিফলিত হয় না।
 

মুক্তকথা: আরও পড়ুন

আরও