থাই প্রধানমন্ত্রীর কাণ্ড!

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫

থাই প্রধানমন্ত্রীর কাণ্ড!

পরিবর্তন ডেস্ক ৬:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৯, ২০১৮

print
থাই প্রধানমন্ত্রীর কাণ্ড!

থাইল্যান্ডে ২০১৪ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইংলাক সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশের শাসন ক্ষমতা হাতে নেন সাবেক সেনাপ্রধান প্রায়ুথ চান ওচা। এরপর থাইল্যান্ডের রাজনীতি এবং ভবিষ্যত নিয়ে দেশি এবং বিদেশি গণমাধ্যমের মুখোমুখি তাকে প্রায়ই হতে হয়েছে। যদিও এসব প্রশ্ন বরাবরই এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।

থাইল্যান্ডে ২০১৩ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলেও সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থেকে প্রায়ুথ জানিয়েছিলেন, এসব বিষয়ে তিনি মাথা ঘামাবেন না। যদিও ওই বক্তব্যের মাত্র ক’মাসের ব্যবধানেই তাকে উল্টো পথ ধরতে দেখা যায়। অর্থাৎ মুখে অভ্যুত্থানের আশঙ্কা উড়িয়ে দিলেও সেই কাজই করেন তিনি।  

ফলে দেশের শাসন ক্ষমতা হাতে নেয়ায় গণমাধ্যমের প্রশ্নের মুখেও তাকে পড়তে হয়। অবশ্য কিছুটা মৌনতা আর ভাসা ভাসা ইঙ্গিতের মাধ্যমে বরাবরই প্রশ্নবান থেকে নিজেকে রক্ষা করেছেন থাইল্যান্ডের এই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের সাবেক পলাতক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে লন্ডনে দেখা যাওয়ায় আবারও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। তবে সেসব প্রশ্নকে পাশ কাটাতে তিনি যে কাণ্ড ঘটিয়েছেন তা হাস্য রসের জন্ম দিয়েছে।

শনিবার ব্যাংককে তার কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন দেশি-বিদেশি সাংবাদিকেরা। উদ্দেশ্য ছিল থাইল্যান্ডের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা।

বিষয়টি কার্যালয়ের ভেতরে বসেই টের পান সাবেক সেনাপ্রধান। তাই কার্যালয় ত্যাগের সময় সাংবাদিকেরা যখন তাকে ঘিরে ধরেন তখন আজব অভিজ্ঞতা হয় তাদের।

কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় কর্মচারীদের দিয়ে নিজের মাপের একটি কার্ডবোর্ড নিয়ে আসেন তিনি। নিজের লিখিত বক্তব্য পাঠের পর যখন সাংবাদিকেরা যখন তাকে প্রশ্ন করতে যাবেন, ঠিক তখনই কাণ্ডটা ঘটান তিনি।

নিজের ছবির কার্ডবোর্ড মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড় করিয়ে প্রায়ুথ বলেন, দেশের রাজনীতি এবং সংঘাত নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে একে জিজ্ঞাসা করুন! বলেই হাত উঁচিয়ে টা টা দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন তিনি।

অগত্যা প্রশ্ন দূরে থাক, প্রায়ুথের কার্ডবোর্ডের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলা ছাড়া আর কোনো কাজ ছিল না উপস্থিত সাংবাদিকদের।

কেবিএ

 
.



আলোচিত সংবাদ