একদিনে ৫০ হাজার টুইট মুছলেন যুক্তরাজ্যের শিক্ষা কর্মকর্তা

ঢাকা, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৫

একদিনে ৫০ হাজার টুইট মুছলেন যুক্তরাজ্যের শিক্ষা কর্মকর্তা

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৫, ২০১৮

print
একদিনে ৫০ হাজার টুইট মুছলেন যুক্তরাজ্যের শিক্ষা কর্মকর্তা

গত কয়েকদিন ধরে ব্রিটেনের নাগরিকদের টুইটার শিক্ষা বিষয়ক এক কর্মকর্তাকে নিয়ে করা টুইটে ছেয়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমটি। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা পর্যবেক্ষক হিসেবে ১ জানুয়ারি টোবি ইয়ংকে নিয়োগ দেয়া হলে অসংখ্য মানুষ তার প্রতিবাদ করেন।

এর কয়েক দিন পর ইয়ং টুইটার থেকে তার ৫০ হাজার টুইট মুছে ফেলেন, সেটাও মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময়ে।

টুইটার ইউজাররা ইয়ংয়ের বিভিন্ন টুইটের উদ্ধৃতি দিয়ে তার সমালোচনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বাধীন মত প্রকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে যে পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, সেখানে কাজ করার কোনো যোগ্যতাও তার নেই বলে মন্তব্য করেন তারা।

ইয়ংয়ের নিয়োগ বাতিল করতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মেকে ১ লাখেরও বেশি মানুষের স্বাক্ষরসহ একটি আবেদন পাঠানো হয়েছে।
ইয়ং ব্রিটেনের চরম ডানপন্থী রাজনীতির সমর্থক। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে নোংরা ভাষা ব্যবহার করে টুইট করেন।

৫৪ বছর বয়সী ইয়ংয়ের বেশিরভাগ টুইটেই বর্ণবাদী, নারিবিদ্বেষী, সমকামিতা বিরোধী ও অশ্লীল বিভিন্ন মন্তব্য ছিল।

অনেকগুলো টুইটে ইয়ং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীদের শরীরের বিভিন্ন অংশ নিয়ে কুৎসিত মন্তব্য করেন।

গত ৩ জানুয়ারি পর পর অনেকগুলো টুইটে ইয়ং আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করেন। তিনি তার আগের টুইটগুলোকে ‘বালখিল্যতা’ বলে মন্তব্য করেন এবং ওগুলো লেখার জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেন।

একইসঙ্গে তার টুইট পড়ে যাই মনে হোক তিনি নারী ও সমকামীদের অধিকার সমর্থন করেন বলে জানান তিনি।

তবে ইয়ংয়ের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে একজন সাংবাদিক বলেন, ‘কোনো বিষয়ে আক্রমণাত্মক মত পোষণ করা আর সেসব বিষয়ে ক্রমাগত জনসমক্ষে টুইটারসহ বিভিন্ন জায়গায় লিখে যাওয়া এক জিনিস নয়।’

এমআর/এমএসআই

 
.



আলোচিত সংবাদ