কখনো কোরআন তেলাওয়াত থামে না নবাব প্যালেসে

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কখনো কোরআন তেলাওয়াত থামে না নবাব প্যালেসে

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০১৯

কখনো কোরআন তেলাওয়াত থামে না নবাব প্যালেসে

পৃথিবী বদলে গেছে। বদলে গেছে এ উপমহাদেশের জমিদারি প্রথাও। এখন আর জমিদার নেই! নেই জমিদারি শাসনব্যবস্থাও! কিন্তু তাদের বাড়িগুলো আজও রয়ে গেছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্মৃতির মিনার হয়ে থাকা এমনই এক ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী। যা স্থানীয়দের কাছে নবাব প্যালেস বা নবাব মঞ্জিল নামে পরিচিত।

পর্যটকরা এর নির্মাণশৈলী দেখলে বুঝতে পারবেন কতটা দারুণ সুসজ্জিত জমিদারবাড়িটি। একটু হলেও বাড়তি সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় এই নবাব প্যালেসে।

জমিদারবাড়ির শতবর্ষী পুরোনো দেয়ালগুলো আমাদের ইতিহাস আর কালের সাক্ষী। ক্ষয়ে পড়া চুন-সুরকির আস্তরণগুলোয় লুকিয়ে আছে ঐশ্বর্যমণ্ডিত ঐতিহ্য। জমিদারের বিলাসী প্রাসাদের কারুকার্যখচিত ভবনের সমারোহ।

ভবনের দেয়ালের পরতে পরতে সৌন্দর্যের ছোঁয়া। দেয়ালগুলো শুধুই দেয়াল নয়, যেন অক্লান্ত ইতিহাস রচয়িতার অলঙ্কারখচিত জীবন্ত ইতিহাসের বইয়ের পাতা, যেখান থেকে আমাদের নবীন চোখ পড়ে নিতে পারে হাজার বছরের ইতিহাস।

রাজপ্রাসাদের সামনের সুবিস্তৃত বাগানও শুধুই বাগান নয়, শত বছরে হয় তো শত হাজারবার ঝরে গেছে গোলাপের পাপড়ি, কামিনীর পাতা, তবুও আজ পাতায় পাতায় লেখা রয়ে গেছে রাজা-রানির রোমান্টিকতার কড়চা, পাঁপড়িগুলোয় রাজকুমারীর হাতের স্পর্শ। তাই ভ্রমণপিয়াসী ও ইতিহাসপ্রেমীরা ঐতিহ্যের খোঁজে বারবারই ছুটে চলে জমিদারবাড়িতে।

জমিদারবাড়িটি অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলাতে। যা স্থানীয়দের কাছে নবাব প্যালেস বা নবাব মঞ্জিল নামে বেশ পরিচিত। প্রায় ১৮০০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই জমিদার বংশ বা জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন ব্রিটিশদের কাছ থেকে বাহাদুর, নওয়াব, সি আই ই খেতাবপ্রাপ্ত জমিদার খান বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার প্রথম প্রস্তাবক এবং ব্রিটিশ সরকারের প্রথম মুসলিম মন্ত্রী। তাঁরই অমর কৃর্তি ধনবাড়ী জমিদারবাড়ি বা নওয়াব প্যালেস। এই জমিদারবাড়ির রয়েছে একটি সুদীর্ঘ ইতিহাস।

ধারণা করা হয়, মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ধনপতি সিংহকে পরাজিত করে মোগল সেনাপতি ইস্পিঞ্জর খাঁ ও মনোয়ার খাঁ ধনবাড়ীতে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের কয়েক পুরুষ পরের নবাব ছিলেন সৈয়দ জনাব আলী। সৈয়দ জনাব আলী ছিলেন সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর বাবা। তিনি তরুণ অবস্থায় মারা যান।

নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী বিয়ে করেন বগুড়ার নবাব আবদুস সোবহানের মেয়ে আলতাফুন্নাহারকে। আলতাফুন্নাহার ছিলেন নিঃসন্তান। তাঁর মৃত্যুর পর নবাব বিয়ে করেন ঈশা খাঁর শেষ বংশধর সৈয়দা আখতার খাতুনকে। নওয়াব আলী চৌধুরীর তৃতীয় স্ত্রীর নাম ছিল সকিনা খাতুন। নওয়াব আলী চৌধুরী ১৯২৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। নবাব ওয়াকফ নামায় তাঁর তৃতীয় স্ত্রীর একমাত্র ছেলে সৈয়দ হাসান আলী চৌধুরী এবং মেয়ে উম্মে ফাতেমা হুমায়রা খাতুনের নাম উল্লেখ করে যান।

সৈয়দ হাসান আলী চৌধুরী পরবর্তীকালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শিল্পমন্ত্রী নির্বাচিত হন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৮ সালেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৮১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এই জমিদারবাড়ির বর্তমান উত্তরাধিকারী তাঁর একমাত্র সন্তান সৈয়দা আশিকা আকবর।

তারপরও অনেক সময় কেটে গেছে, বদলেছে শাসনব্যবস্থা। বাংলাদেশেও এখন আর নেই জমিদারি শাসনব্যবস্থা, ধনবাড়ীও তার ব্যতিক্রম নয়। জমিদার নেই, জমিদারি নেই কিন্তু চুন-সুরকির নওয়াব প্যালেস ঐশ্বর্যে ও ঐতিহ্যে ঠিকই আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। অপূর্ব স্থাপত্যকর্মের কারণে ক্রমে জমিদারবাড়িটি পরিণত হতে থাকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানে। তাই নবাবের উত্তরাধিকারীরা জমিদারবাড়িতে গড়ে তোলেন পিকনিক স্পট, যা নবাব সৈয়দ হাসান আলী রয়্যাল রিসোর্ট হিসেবে বেশ খ্যাতি লাভ করেছে। রিসোর্টটি দেখাশোনার দায়িত্বে আছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান লাইট হাউস গ্রুপ।

কী আছে নবাব প্যালেসে

টাঙ্গাইলের বুকচিরে বয়ে যাওয়া বংশাই ও বৈরান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এই প্রাচীন জমিদারবাড়িটি অপূর্ব স্থাপত্যশৈলী এবং কারুকার্যে সত্যিই মনোরম এবং মনোমুগ্ধকর। তবে রিসোর্ট তৈরির পর নবাব প্যালেসে বেড়েছে চাকচিক্য এবং আধুনিকতা। চার গম্বুজবিশিষ্ট অপূর্ব মোগল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি এই শতাব্দীপ্রাচীন নবাব প্যালেস।

পুরো নবাব মঞ্জিল বা নবাব প্যালেসটি প্রাচীরে ঘেরা। প্রাসাদটি দক্ষিণমুখী এবং দীর্ঘ বারান্দাসম্বলিত। ভবনের পূর্বদিকে বড় একটি তোরণ রয়েছে। তোরণের দুই পাশে প্রহরীদের জন্য রয়েছে দুটি কক্ষ। তোরণটি জমিদার নওয়াব আলী চৌধুরী  ব্রিটিশ গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য নির্মাণ করেন। প্রাচীরঘেরা চত্বর অংশে আবাসিক ভবন দুটি ছাড়া আরো আছে ফুলের বাগান, চিড়িয়াখানা, বৈঠকখানা, নায়েবঘর, কাচারিঘর, পাইক-পেয়াদা বসতি এবং দাস-দাসি চত্বর।

দর্শনার্থীদের জন্য প্রাসাদের ভেতরের বেশ কয়েকটি কামরা ঘুরে দেখার সুযোগ আছে। তাছাড়া বারান্দাতেও শোভা পাচ্ছে মোগল আমলের নবাবি সামগ্রী, সেগুলো ছুঁয়ে দেখতে পারেন। মোগল আমলের আসবাবপত্র আপনাকে মুগ্ধ করবে।

দীঘি

প্যালেসটির পাশেই রয়েছে ৩০ বিঘার বিশালাকার দীঘি, দীঘির গভীরতা খুঁজে পাওয়া মেলা ভার। সুন্দর ও মনোরম শান বাঁধানো ঘাঁট রয়েছে। ইচ্ছে করলে সৌখিন ভ্রমণপ্রেমীরা এখানে নৌকাভ্রমণ ও মাছ ধরতে পারেন।

সেখানে দর্শনার্থীদের ঘোরার জন্য রয়েছে দুটি সাম্পান, চড়তে পারেন আপনিও। তাছাড়া নবাবি স্টাইলে পুরো রিসোর্ট ঘুরে দেখার জন্য রয়েছে ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়ির ব্যবস্থা। ইচ্ছে হলে দেখতে পারেন গারোদের সংস্কৃতি ও নাচ। এ জন্য আপনাকে আগেই জানিয়ে রাখতে হবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে। এখানে আরো দেখতে পাবেন ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা।

আরও যা দেখতে পাবেন

রিসোর্ট থেকে ৩০ মিনিটের দূরত্বে ঐতিহ্যবাহী মধুপুর বন। মধুপুর থেকে ৩০ মিনিটের পথ পেরুলেই রয়েছে আদিবাসী গারোপল্লী। সেখানে উপলব্ধি করা যায় গারোদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও জীবনধারা, যা পর্যটকদের মনের খোরাক জোগায়। রয়েছে মনোমুগ্ধকর রাবার বাগান, আনারস বাগান, বাঁশ বাগান- যা অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন। রয়েল রিসোর্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপোর্ট ও গাইড দিয়ে রিসোর্টের গেস্টদের ঘুরিয়ে দেখায় আশপাশের সব দর্শনীয় স্থান।

পর্যটকদের সুবিধার্থে নিরাপত্তারক্ষী ও ওয়েটার রয়েছে এ রিসোর্টে। এছাড়া গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এই রয়েল রিসোর্টে। রিসোর্টটির আরেকটি বিরাট আকর্ষণ নবাব মসজিদ। রয়েল রিসোর্টের ঠিক পাশেই রয়েছে ৭০০ বছরের পুরোনো এক মসজিদ। মোগল স্থাপত্যের নিদর্শন এই মসজিদের মোজাইকগুলো এবং মেঝেতে মার্বেল পাথরে নিপুণ কারুকার্য অসাধারণ। মসজিদটির পাশে একটি কক্ষ রয়েছে, যা নবাব বাহাদুর সৈদয় নওয়াব আলী চৌধুরীর মাজার। ১৯২৯ সালে নবাবের মৃত্যুর পর থেকে এখানে ২৪ ঘণ্টা কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে, যা এখনো এক মিনিটের জন্য বন্ধ হয়নি। কোরআন তেলাওয়াতের হাফেজ নিযুক্ত রয়েছেন। তাঁরা প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর একেকজন কোরআন তেলাওয়াত করে থাকেন।

নওয়াব শাহী জামে মসজিদ

মোগল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত মসজিদটির আকার-অবয়বে বেশ কয়েকবার পরিবর্তন সাধন করা হয়েছে। তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ লাগোয়া সুদৃশ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ একটি মিনার রয়েছে। মসজিদকে কেন্দ্র করে ‘মানত’ প্রথা প্রচলিত রয়েছে। মসজিদটি প্রায় ১০ কাঠা জমির ওপরে অবস্থিত। আদি মসজিদটি ছিল আয়তাকার। তখন এর দৈর্ঘ ছিল ৪৫ ফুট এবং প্রস্থ ছিল ১৫ ফুট। কিন্তু সংস্কারের পর মসজিদটির আকার রীতিমতো পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানে এটি একটি বর্গাকৃতির মসজিদ এবং সাধারণ তিন গম্বুজবিশিষ্ট আয়তাকৃতির মোগল মসজিদের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। সংস্কারের পর বর্তমানে এর অনেক বৈশিষ্ট্যই ভিন্ন আঙ্গিক গ্রহণ করেছে এবং সেই সঙ্গে এর প্রাচীনত্ব লুপ্ত হয়েছে এবং চাকচিক্য অনেক বেড়েছে। সুন্দর কারুকার্যময় এ মসজিদের পূর্বদিকে বহু খাঁজবিশিষ্ট খিলানযুক্ত তিনটি প্রবেশ পথ। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণে আরো একটি করে সর্বমোট পাঁচটি প্রবেশ পথ রয়েছে। মসজিদটি বর্ধিতকরণ ও সংস্কার সাধনের পরেও এর ওপরের তিনটি গম্বুজ ও পাঁচটি প্রবেশ পথে প্রাচীনত্বের ছাপ লক্ষ্য করা যায়।

প্রচলিত নিয়মে এ মসজিদের পূর্বদিকের তিনটি প্রবেশ পথ বরাবর এর অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালে তিনটি মিহরাব নির্মিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় মিহরাবের কুলুঙ্গিটি অষ্টভুজাকার ও বহু খাঁজবিশিষ্ট খিলান সহযোগে ফুলের নকশায় অলঙ্কৃত। উভয় পাশের দুটি ও বহু খাঁজবিশিষ্ট খিলানযোগে গঠিত তবে অলঙ্কারহীন। কেন্দ্রীয় মিহরাবের পাশে একটি মিম্বার রয়েছে। মসজিদের অভ্যন্তরে সর্বত্র চীনামাটির টুকরো দ্বারা মোজাইক নকশায় অলঙ্কৃত। যার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফুলের নকশা লক্ষণীয়।

অর্ধবিঘা আয়তনের অনুচ্চ প্রাচীরবেষ্টিত একটি প্রাচীন কবরস্থান রয়েছে এখানে। আর এর পাশেই রয়েছে একটি মসজিদ। ধারণা করা হয় ইস্পিঞ্জার খাঁ ও মনোয়ার খাঁ মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ মসজিদে একসঙ্গে ২০০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এখনো মসজিদ অভ্যন্তরে মোগল আমলের তিনটি ঝাড়বাতি শোভা পাচ্ছে।

নওয়াব প্যালেস দর্শনে আপনিও হতে পারেন ঐতিহ্যের সাক্ষী। রিসোর্টের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন অল্প খরচে। 

যাওয়ার ব্যবস্থা

রাজধানী ঢাকার মহাখালীর টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা-ধনবাড়ী সরাসরি বাস সার্ভিস চালু আছে। বিনিময়, মহানগর কিংবা শুভেচ্ছা পরিবহনে পৌঁছাতে পারবেন ধনবাড়ী। এছাড়া আজমপুর, আবদুল্লাহপুর ও সায়েদাবাদ থেকেও বিভিন্ন পরিবহনের বাসে চড়ে যাওয়া যাবে। ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে অদূরেই জমিদারবাড়ি। ইচ্ছে করলে হেঁটে কিংবা রিকশায় পৌঁছাতে পারেন সেখানে। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে বললে তারাও গাড়ি পাঠায়। টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকেও যেতে পারবেন।

থাকার ব্যবস্থা

জমিদারবাড়িতে রয়েছে চার ধরনের আবাসনব্যবস্থা। মঞ্জিল (মূল রাজপ্রাসাদ), প্যালেস (কাচারি ঘর), ভিলা (২০০ বছরের পুরোনো টিনশেড ভবন) এবং কটেজ (সম্প্রতি নির্মিত টিনশেড বাংলো)। মঞ্জিল এবং প্যালেসের খাট, সোফাসহ সব আসবাবপত্র সেই প্রাচীন আমলের যা নবাবরা ব্যবহার করতেন। কিন্তু ভিলা এবং কটেজে নবাবদের আসবাবপত্র পাওয়া যাবে না। ভাড়া এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা। দল বেঁধে গেলে পাওয়া যাবে বিরাট ছাড়। ফলে এখানে থাকবেন আপনি নবাবি স্টাইলে। তবে সেটা নির্ভর করবে আপনার সামর্থ্যের ওপর।

তাছাড়া থাকতে পারেন ধনবাড়ী নওয়াব প্যালেসের অদূরে মধুপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত আদিত্য, সৈকত এবং ড্রিমটাচ নামের তিনটি আবাসিক হোটেলে। এগুলোতে রয়েছে এসি এবং নন এসি রুমের সুন্দর ব্যবস্থা।

প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পা পড়ে এই জমিদারবাড়ির আঙিনায়। বিশেষ করে শীত মৌসুমের পুরোটায় ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণা থাকে জমিদারবাড়িতে। জনপদের এই ভূ-ভাগে দেখা যায়, বৈচিত্র্যের ঐক্যতান। শত শত পর্যটকের সরব উপস্থিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে। তারা আসে, দেখে, জানে এবং একরাশ প্রশান্তি নিয়ে ঘরে ফিরে যায়। এবার শীতে ঘুরে যেতে পারেন জমিদারবাড়িতে।

এইচআর

 

ফিচার : আরও পড়ুন

আরও