পশ্চিম জৈন্তা হিল ও ক্র্যাংসুরি ফলস, মেঘালয়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫

পশ্চিম জৈন্তা হিল ও ক্র্যাংসুরি ফলস, মেঘালয়

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

পশ্চিম জৈন্তা হিল ও ক্র্যাংসুরি ফলস, মেঘালয়

এত চওড়া ঝরনা, দেখলে চোখ যেন শীতল হয়ে যায়। ঝরনার ছন্দের তালে তালে পানি পরার শব্দও যেন মন ও শরীর জুরিয়ে দিবে। বলছি ক্র্যাংসুরি ফলসের কথা। তামাবিল-ডাউকি বর্ডার থেকে প্রায় ২৯ কিমি দূরে মেঘালয়ের পশ্চিম জৈন্তা হিলে ক্র্যাংসুরি ঝর্নার অবস্থান। গাড়ী থেকে নেমে ১৫ মিনিটের মতো নিচের দিকে নামলে পেয়ে যাবেন ক্র্যাংসুরি ঝরনা। ঝরনার পাশে টেন্ট করে থাকার ব্যবস্হা আছে।

এই ঝরনার পানি সাধারণত নীল থাকে। বর্ষার সময় গেলে বৃষ্টির কারণে নীল পানি নাও পেতে পারেন। কারণ বর্ষার সময় পাহাড় ও আশেপাশে থেকে পানির সাথে মাটি ও কাদা চলে আসে। তাই পানি নীলের বদলে লাল-হলুদ বা ঘোলা দেখতে পারেন। ডাউকি থেকে ট্যাক্সিতে ক্র্যাংসুরি ঝরনা যাওয়ার সময় প্রচুর ফাঁকা সবুজ মাঠ দেখতে পাবেন। সব মিলিয়ে রাস্তার আশেপাশের ভিউ খুবই সুন্দর। আপনি যদি রজার্ভ গাড়ি নিয়ে যান তাহলে জায়গায় জায়গায় গাড়ি থামিয়ে এসব সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

তবে এটা মনে রাখা ভালো ভ্রমণে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকা উচিৎ। পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যদি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে তা নষ্ট করে আসি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মরা কী দেখবে?

যেভাবে যাবেন: বাংলাদেশের যেকোন স্থান থেকে তামাবিল বর্ডার। বর্ডার পার হয়ে ডাউকি বর্ডার থেকে ইমিগ্রেশন/কাস্টমস করে ডাউকি-তামাবিল বর্ডার থেকেই টাটা সুমো/ট্যাক্সিতে যেতে পারেন। ইমিগ্রেশন অফিসের সামনেই অনেক ট্যাক্সি থাকে। ডাউকি থেকে ২৯ কিমি ক্র্যাংসুরি ফলস। আবার সোনাংপেডাং গ্রাম থেকেও যেতে পারেন। সোনাংপেডাং গ্রাম থেকে ট্যাক্সিতে ১ ঘণ্টার মতো লাগবে ক্র্যাংসুরি পৌঁছাতে।


তথ্য ও ছবি: দ্বীপ বিশ্বাস

ইসি/