খাবারে দূর হবে ত্বকের বলিরেখা, হবে সান প্রোটেকশন

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

খাবারে দূর হবে ত্বকের বলিরেখা, হবে সান প্রোটেকশন

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৫১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৮

খাবারে দূর হবে ত্বকের বলিরেখা, হবে সান প্রোটেকশন

আমরা ত্বকের যত্নে কতো কিছুই তো করে থাকি। সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সান প্রোটেকশন লোশন ব্যবহার করে থাকি। আবার ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও এটা সেটা ব্যবহার করে থাকি। তবে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে সবসময় ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। এর থেকে ভালো হয় আপনি যদি ত্বকের ভেতর থেকে এগুলো প্রোটেকশন করতে পারেন, সেটাই আপনার জন্য বেশি উপকারী হবে। আর এটা করতে পারেন শুধু কিছু খাবার খেয়েই। আসুন তাহলে আজ আমরা জেনে নেই কি কী খাবার খেয়ে সান প্রোটেকশন এবং ত্বকের বলিরেখে দূর করতে পারবেন।

তরমুজ

তরমুজে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, বেটা-ক্যারোটিন, লাইকোপেন, ৯৪ শতাংশ পানি। এটি কিডনি আর হার্টের পক্ষেও ভালো। শুধু তাই নয়, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে তরমুজ। এছাড়াও তরমুজের ভিটামিন সি, বেটা-ক্যারোটিন আপনার ত্বকে যেমন সান প্রোটেকশনের কাজ করবে, তেমনে এর লাইকোপেন আপনার ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করবে।

ব্লুবেরি

ব্লুবেরি ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। এর এন্টি শক্তিশালী অক্সিডেন্ট ড্যামেজ ত্বক সারাতে সাহায্য করে। আর ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ত্বকে বলিরেখা পরতে বাধা দেয়।



বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার
বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজগুলোতে প্রোটিন, আয়রন এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানও রয়েছে। আধা কাপ সেদ্ধ করা বীজে ৭.৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এগুলো ত্বকের বলিরেখা ও সান প্রোটেকশনের কাজ করে।



গাজর
একটু বয়স হলেই ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয়। এছাড়াও ত্বক অনুজ্জ্বল ও দাগ হয়ে যায়। তাছাড়া সূর্যের আলোতেও ত্বক অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। নিয়মিত গাজর খেলে বাহ্যিক ক্ষতি থেকে ত্বক রক্ষা পায় এবং ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। গাজর মুখের বলিরেখা, দাগ ছোপ ও পিগমেন্টেশন প্রতিরোধ করে।

গাজরের ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন ত্বককে উজ্জ্বল করে।  এছাড়াও গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যেগুলো ত্বককে ব্রণ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ব্রণ উঠলে সে জায়গাটায় নিয়মিত গাজরের রস লাগালে দাগ দূর হয়ে যায় বেশ তাড়াতাড়ি।

গ্রিন টি
আজকাল এটি সৌন্দর্য চর্চার থেরাপিতেও ব্যবহার হচ্ছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গ্রিন টিতে (সবুজ চা) এন্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিগুণও রয়েছে। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ চা-কে স্টোর হাউস বলা যেতে পারে। নিয়মিত এ চা পান সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

যৌবন পেরিয়েও ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে এ চা বেশ উপকারী। ত্বক ক্যানসার প্রতিরোধেও এটি কার্যকর। গ্রিন টি ত্বকের বলিরেখা দূর করে আরও মসৃণ করে তোলে। পান করার পাশাপাশি গ্রিন টি মাস্ক সরাসরি মুখমন্ডলেও ব্যবহার করা যায়।



ফুলকপি
ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিডসহ আরও অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে। কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।

ইসি/এমএসআই