কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির তদন্ত করবে অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির তদন্ত করবে অস্ট্রেলিয়া

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:০৬ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৮

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির তদন্ত করবে অস্ট্রেলিয়া

কর্মক্ষেত্রে নারীদের উপর যৌন হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এখন থেকে নারীদের উপর যৌন হয়রানি এবং বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ পেলে সরকার তা তদন্ত করবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানায়, নারীদের জন্য কর্মক্ষেত্র নিরাপদ রাখতে দেশ জুড়ে জাতীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার লিঙ্গ বৈষম্য বিষয়ক কমিশনার কেট জেনকিনস জানান, নারীদের প্রতি যৌন হয়রানি ও বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে বিশ্ব জুড়ে ‘মি টু’ হ্যাশ ট্যাগ প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কেট জেনকিনস বুধবার আরও জানান, এ বিষয়ে কঠোর আইনও প্রণয়ন করা হবে।

তবে বিশ্বের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার জন্য এই তদন্তে ১২ মাস লাগতে পারে বলেও জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। তদন্তে নারীর জন্য কর্মস্থলের যৌন হয়রানির নেপথ্য কারণ ছাড়াও প্রযুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার নিরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি বর্তমান আইন এবং নীতির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে তা সংশোধনও করা হবে।

জেনকিনস জানান, ‘মি টু হ্যাশ ট্যাগের জোয়ারের পর অনেক দেশের নারী তাদের উপর অন্যায় আচরণের বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তারা যৌন হয়রানি বন্ধ ছাড়াও নিরাপদ কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। আমরাও জানি কর্মের স্থানটির উন্নতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’

অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কমিশন বা এএইচআরসি’র বর্ণনায় দেশটির কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি একটি গুরুতর স্থায়ী সমস্যা। তাদের হিসেবে, অস্ট্রেলিয়ায় ১৫ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সের ২০ শতাংশের বেশি নারী কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হন।  

এমন অবস্থায় কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের পদক্ষেপ ছাড়াও মানসিকতার পরিবর্তন জরুরী বলে মনে করেন জেনকিনস। 

কেবিএ