একসঙ্গে ১৩ নারীকে গর্ভবতী করেছেন এই ব্যক্তি!

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫

একসঙ্গে ১৩ নারীকে গর্ভবতী করেছেন এই ব্যক্তি!

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:১৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০১৮

একসঙ্গে ১৩ নারীকে গর্ভবতী করেছেন এই ব্যক্তি!

ভারতবর্ষসহ বিশ্বের অনেক দেশে বহু বিবাহ দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু একই সঙ্গে পরিবারের সব স্ত্রীর গর্ভবর্তী হওয়ার নজির কি আছে? তেমনটা শোনা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিন্তু তা ঠিকই করিয়ে ছেড়েছে। গত দু’বছর ধরে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। অসংখ্যবার শেয়ার দেয়া ওই পোষ্টে বলা হচ্ছে, নাইজেরিয়ার এক ব্যক্তি তার ১৩ স্ত্রীকে একই সঙ্গে গর্ভবর্তী করে ফেলেছেন।

কথার সত্যতা দাবি করতে পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও দেয়া হচ্ছে। যেখানে দেখা যায়, এক ব্যক্তি ১৩ গর্ভবতী নারীর মাঝে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। অবশ্য পোস্টটি ভাইরাল হলেও ছবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। সন্দেহ রয়েছে খবরের সত্যতা নিয়েও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন পুরুষ একাধিক নারীকে গর্ভবতী করতে সক্ষম হলেও একই সময়ে তা করা কঠিন। প্রাকৃতিকভাবেই নারীদের গর্ভসঞ্চারের কিছু নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। যা ঋতুস্রাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাছাড়া স্বামীর শুক্রাণু তার ১৩ স্ত্রীর ডিম্বানুর মধ্যে একই সঙ্গে নিষিক্ত হতে পারে না। কাজেই ছবিটির সত্যতা যে নেই, তা অনুমান করা কঠিন কিছু নয়!

অনেকের দাবি, কোনো বিউটি পেগন্যান্ট প্রতিযোগিতার ছবি হবে সেটি। অবশ্য পোস্টটিকে নিয়ে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। জানিয়েছে, নাইজেরিয়ার ওই ব্যক্তি ১৩ স্ত্রীর সঙ্গেই ঘর করে থাকেন। যারা আগে থেকেই একে অপরের বন্ধু। তারা নাকি শান্তিপূর্ণভাবেই স্বামীর সংসার করেন এবং সহবাসের ক্ষেত্রেও একসঙ্গে থাকতে আপত্তি করেন না।

স্বামী এবং স্ত্রীরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারীও দাবি করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের মধ্যে কোনও ব্যাধি নেই এবং রক্তও দূষিত নয়। যার ফলে তারা একইসঙ্গে গর্ভবতী হতে পেরেছেন।

পোস্টটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক থাকলও এক ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকা এবং তাদের ঘরে ডজনে ডজনে পুত্র-কন্যা থাকার নজির অনেক রয়েছে। যেমন, ভারতের মিজোরামে জিয়োনা চানা নামের এক ব্যক্তি রয়েছেন যার আছে মোট ৩৯টি স্ত্রী। তাদের ঘরে আবার ৯৪ জন ছেলেপুলেও রয়েছে। 

এই বিশাল সংসারের অধিকারী হওয়ায় বিশ্ব রেকর্ডেও স্থান পেয়েছেন জিয়োনা চানা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংসারের অধিকারী তিনি। তবে তার সন্তানেরা কিন্তু কখনই একই সঙ্গে পৃথিবীর আলো দেখেনি। যেমনটা দাবি করা হয়েছে নাইজেরিয়ার ভদ্রলোকের ব্যাপারে।

কেবিএ