যুক্তরাজ্যে স্যুট টাই’এর কদর কমছে

ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫

যুক্তরাজ্যে স্যুট টাই’এর কদর কমছে

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:৪৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৮

print
যুক্তরাজ্যে স্যুট টাই’এর কদর কমছে

এতদিন ব্রিটিশ বলতেই স্যুট-টাই পড়া ভদ্রলোকের যে ছবি মনের পর্দায় ভেসে উঠেছে বর্তমানে তার পরিবর্তন ঘটছে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশটিতে কর্মক্ষেত্রে প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন ফর্মাল পোশাক পরে থাকেন। ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, কর্মক্ষেত্রে পোশাকের চাইতে বর্তমানে কাজের যোগ্যতা ও দক্ষতাকেই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকেরা।

একদল গবেষক সম্প্রতি কর্মক্ষেত্রে প্রথাগত পোশাকের ব্যবহার নিয়ে সমীক্ষা চালান। এজন্যে ২ হাজারের বেশি কর্মজীবীর সঙ্গে পরিধানের পোশাক নিয়ে কথা বলেন। বিভিন্ন অফিসেও তারা হানা দেন। 

সেখানে তারা দেখতে পান, স্যুট টাই পরার বদলে অধিকাংশ কর্মী জিন্সের প্যান্ট, শার্ট এবং জ্যাকেট পরে কাজ করছেন। তাদের কাছে ফর্মাল পোশাকের বদলে এমন জামা পরার কারণ জানতে চাইলে উত্তর আসে, এতে কাজ করতে সুবিধে হয় আবার আরামও পাওয়া যায়।

অনেকের মতে, ক্যাজুয়াল পোশাকে নিজের ব্যক্তিত্বও ফুটিয়ে তোলা যায় ভালোভাবে, তেমনই প্রকাশও ঘটানো যায়। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, স্যুট টাই কিনতে যে পরিমাণ অর্থ গুনতে হয় তার চেয়ে অনেক কম খরচে পাওয়া যায় এসব পোশাক।

একটি বড় অংশের মতে, অফিসের কাজে পোশাক গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং কাজের দক্ষতাই আসল। কিন্তু ফর্মাল পোশাক পরে পুতুলের মতো সাজ নিয়ে সেই কাজের কোনো উন্নতিই হয় না।

অবশ্য ১৯ শতকের দিকে ব্রিটিশদের মধ্যে বলতে গেলে কোট-টাই পরিধান ছিল বাধ্যতামূলক। নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য ফর্মাল পোশাককে ক্ষমতা ও উন্নতির সেতু হিসেবেই মনে করা হতো। শ্রেণী ভেদাভেদ বোঝাতেও স্যুটের ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

হালে ব্রিটিশদের মধ্যে এই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটছে। অনেক প্রতিষ্ঠানও কর্মীদের পোশাকের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিচ্ছে। গবেষকদের মতে, গত কয়েক দশক ধরেই পোশাকের ক্ষেত্রে ব্রিটিশদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটেছে। সম্প্রতি যার প্রতিফলন ঘটতে দেখা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

পুরুষদের মতো নারী কর্মীরাও প্রথাগত পোশাকের নিয়ম থেকে বের হয়ে আসছেন। তবে তা পুরুষের মতো নয়!

কেবিএ

 
.


আলোচিত সংবাদ