অভিযোগ করা বিএনপির একটি রোগ: কাদের

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

অভিযোগ করা বিএনপির একটি রোগ: কাদের

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

অভিযোগ করা বিএনপির একটি রোগ: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুবলীগ নিয়ে গণভবনে মিটিং (বৈঠক) ডেকেছেন । যুবলীগের চেয়ারম্যানকে কেন ডাকা হয়নি, কোন বয়স পর্যন্ত যুবলীগ করা যাবে, সেসব আলোচনা রোববারই করা হবে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে শেখ রাসেলের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

রোববার যুবলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বসছেন অথচ সেখানে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী থাকতে পারবেন না। তাহলে কি কার্যত তিনি অপসারিত হয়েছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গণভবনে এই মিটিং ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে কাকে ডাকবেন আর কাকে ডাকবেন না সেটা প্রধানমন্ত্রীর বিষয়। এটা পার্টি অফিসে ডাকা হলে আমি বলতে পারতাম। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা যুবলীগকে গণভবনে ডেকেছেন। সেখান থেকে যাদের বলা হয়েছে, তারাই মিটিংয়ে যাবেন। যুবলীগকে বয়স কাঠামোর বিষয়টি মিটিংয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।

সরকার বাকশালী আচরণ করছে বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির একটি রোগ আছে। সেটা হলো- অভিযোগ। অভিযোগ নামক রোগ বিএনপিকে পেয়ে বসেছে। তারা কথায় কথায় অভিযোগ করে, নালিশ করে। এছাড়া তো তাদের আর কিছু করার নেই। তবে বিএনপি রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসুক, এটা আমরা চাই। অভিযোগ আর নালিশের রাজনীতি বাদ দিয়ে গণরাজনীতির ধারায় ফিরে আসুক, সেটাই আশা করি। নির্বাচন ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে, এখন ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। কোনো একটা ইস্যু পেলেই তারা তার মধ্যে রাজনীতি খুঁজে পায়।

তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক, কোটা সংস্কার আন্দোলন- একটা পেলেই তারা ধরে বসে। ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে তারা ইস্যু খোঁজার চেষ্টা করেছিল। তাদের ইস্যু খুঁজে পাওয়ার রাজনীতিতে জনগণ সাড়া দেবে না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবজেক্টিভ কোনো ইস্যুতে নেই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানব সভ্যতার ইতিহাসে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে কোনো নারী বা অবলা শিশুকে টার্গেট করা হয় না। কিন্তু, বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও কারবালার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নারী-শিশু হত্যা করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় ১০ বছরের অবুঝ শিশু রাসেলকেও হত্যা করা হয়।

এসময় সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নুর ই আলম সিদ্দিকী হকসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমকে

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও