খালেদাকে মুক্ত করতে না পারাকে ‘দুর্ভাগ্য’ বললেন ফখরুল

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

খালেদাকে মুক্ত করতে না পারাকে ‘দুর্ভাগ্য’ বললেন ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৩:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৯

খালেদাকে মুক্ত করতে না পারাকে ‘দুর্ভাগ্য’ বললেন ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপারসন কারবন্দি বেগম খালেদা জিয়াকে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করতে না পারাকে ‘দুর্ভাগ্য’ বলে  মনে করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আইন আদালতের ভূমিকা কি সেটা আমরা জেনে গেছি। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা এমন কিছু করতে পারছি না যে নেত্রীকে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে মুক্ত করতে পারবো।’

 শুক্রবার  বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে এবং তার কারামুক্তি, রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।

দলীয় নেতা-কর্মীদের  উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সুসংগঠিত হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। তাই আসুন, আজকের এই দিনে নেত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে তার মুক্তির জন্য নিজেদের সংগঠিত করি ও আন্দোলন বেগবান করি। তার জন্মদিনে এটাই হোক আমাদের শপথ।’ 

গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে  ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হয়েছে বিচার বিভাগের। আজকে বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা নেই। এই অনির্বাচিত-জনবিচ্ছিন্ন সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এদেশের রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালাচ্ছে। একইভাবে দেশনেত্রীকেও কারাগারে রেখেছে।

সরকার পরিকল্পিতভাবে চামড়াশিল্পকে ধ্বংস করেছে দাবি ফখরুল বলেন, একসময় পাটশিল্পকে ধ্বংস করা হয়েছিল আর আজকে চামড়াশিল্পকে ধ্বংস করা হয়েছে। বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত এই সরকার বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে যোগ দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, তাঁতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের নেতা মাওলানা রফিকুল ইসলাম।  

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারান্তরীণ রয়েছেন খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে গত ১ এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ৬২১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন তিনি।

এমএইচ

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও