খালেদার মুক্তি দাবিতে ঈদের দিনে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

খালেদার মুক্তি দাবিতে ঈদের দিনে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০১৯

খালেদার মুক্তি দাবিতে ঈদের দিনে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার দুপুরে ১টার দিকে মিছিলটি নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়। নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিকট এসে মিছিল শেষ হয়।

রিজভী ছাড়াও মিছিলে অংশ নেন-বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, তাঁতী দলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিম, তাঁতী দলের সদস্য সচিব হাজী মজিবুর রহমান, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, পল্টন থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, ছাত্রদল ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন সমূহের নেতাকর্মীরা।

মিছিল শেষে প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী বলেন, চারবারের সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভয়াবহ অসুস্থতার পরও এই সরকার তাঁর প্রতি আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে। দেশের কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে জামিনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আজ ঈদুল আজহার দিনেও খালেদা জিয়ার মনে আনন্দ নেই। কারণ তাঁকে অন্যায় ও অবিচারমূলকভাবে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী রেখে তিলে তিলে নিঃশেষ করতে পারলেই সরকারের লক্ষ্য পূরণ নিশ্চিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের জনগণসহ জাতীয়তাবাদী শক্তি খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে প্রবল সাহস ও উদ্যম নিয়ে রাজপথে নেমে আসবে। আমি এই মুহূর্তে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।’

রিজভী বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার দেশের মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। জোর করে ক্ষমতাসীন হয়ে বর্তমান সরকারপ্রধান দেশকে নিজের জমিদারি বানিয়ে ফেলেছেন। সে জন্য জনস্বার্থের দিকে তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। ডেঙ্গু সমস্যা যখন প্রকট আকার ধারণ করেছে, তখন এটিকে আমলে না নিয়ে সরকারের মন্ত্রী-নেতারাসহ সিটি মেয়ররা নির্বিকার থেকেছে, তামাশা করেছে। তাদের কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। এই কারণে ডেঙ্গু এখন মহামারি আকার ধারণ করেছে।’

এমএইচ

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও