এরশাদের দাফন সেনা কবরস্থানে: জিএম কাদের

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

এরশাদের দাফন সেনা কবরস্থানে: জিএম কাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৯

এরশাদের দাফন সেনা কবরস্থানে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন ঢাকার বনানী সেনা কবরস্থানে হবে বলে জানিয়েছেন তার ভাই জিএম কাদের।

মঙ্গলবার সকালে মরদেহ নিয়ে হেলিকপ্টারে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান।

জাতীয় পার্টির এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘উনার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বনানীতে সেনাবাহিনীর কবরস্থানেই সমাহিত করা হবে। রংপুরে জানাযার পর এখানে আনা হবে। এই কবরস্থান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় হলেও যে কোনো সময় যে কেউ সেখানে যেতে পারে।’

গত ১৪ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৯০ বছর বয়সী বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

এরপর থেকেই তার নির্বাচনী এলাকা রংপুরের নেতাকর্মীরা সেখানে দাফন করার দাবি জানিয়ে আসছেন। ইতোমধ্যে এরশাদের রংপুরের বাড়ি পল্লীনিবাসের লিচুবাগানে তারা কবরও খুঁড়ে রেখেছেন।

রংপুরের মেয়র ও জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ঘোষণা দিয়েছেন, তারা ‘যেকোনো মূল্যে’ এরশাদের মরদেহ রংপুরে রেখে দেবেন।

এমন প্রস্তুতির মধ্যেই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা সিএমএইচ থেকে এরশাদের কফিন নিয়ে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয় বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় জানান, জিএম কাদের ছাড়াও মরদেহের সঙ্গে রংপুর গেছেন এরশাদের বড় ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও রংপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

বেলা দেড়টায় রংপুর শহরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে হবে এরশাদের জানাযা। ইতোমধ্যে সেখানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে রংপুর জেলা পুলিশ।

জানাযা শেষেই এরশাদের মরদেহ আবার ঢাকায় ফিরিয়ে এনে বাদ আছর বনানীর সেনা কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এমএইচ/আইএম
আরও পড়ুন...
এরশাদকে রংপুরের মাটিতেই দাফনের ঘোষণা 
রংপুরে এরশাদের কবর খোঁড়ার কাজ চলছে

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও