প্রধানমন্ত্রী হৃদয়হীন: গয়েশ্বর

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

প্রধানমন্ত্রী হৃদয়হীন: গয়েশ্বর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৪:৫৭ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী হৃদয়হীন: গয়েশ্বর

আইন আদালতের প্রতি দেশের মানুষের এখন আর কোন আস্থা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে যেভাবে আদালতকে অবমাননা করে বক্তব্য দেয়া হয় তাতে জনগণের কাছে আইন আদালতও হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। সুতরাং রাজপথের আপসহীন আন্দোলন ছাড়া আমাদের নেত্রীকে মুক্ত করা যাবে না।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকারের কাছে কাকুতি-মিনতি করে বেগম জিয়ার মুক্তি আসবে না। রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামই বেগম জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ। আর আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে নেমে জেল জুলুমের ভয় করলে চলবে না। আন্দোলন করতে গেলে জেল আসবে জুলুম আসবে। এসবকে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন ‘টাকা হলেই আইন আদালত কেনা যায়’ এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য সরকার বিরোধীদের অন্য কেউ দিলে তাকে জেলখানায় থাকতে হতো। কিন্তু সরকারি লোক হওয়াতে নাসিম সাহেবরা এসব কথা অকপটে বলতে পারছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে একজন হৃদয়হীন ব্যক্তি উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হৃদয়ে দয়া থাকলে বেগম খালেদা জিয়া এতদিন জেলে থাকতেন না।

প্রধানমন্ত্রী উল্টো বেগম খালেদা জিয়ার সাথে উপহাস করছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ শরীর নিয়েই রোজা রাখছেন। আর এতেই প্রধানমন্ত্রী বলছেন অসুস্থ হলে তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) রোজা রাখছেন কিভাবে? আর জেলখানায় বসে পায়েসই বা খাচ্ছেন কিভাবে?

তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি আজ যে দৃষ্টান্ত রেখে যাবেন ভবিষ্যতে তার ফল আপনাকেও ভোগ করতে হবে। কাজেই ভেবে চিন্তে কথা বলবেন এবং কাজ করবেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন, সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহ-সভাপতি জেবা খান, পিয়ারা বেগম প্রমুখ।

এমএইচ/এসবি

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও