‘আজ মেরেই ফেলতো, ছাত্রলীগের ভাইয়েরাই’

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

‘আজ মেরেই ফেলতো, ছাত্রলীগের ভাইয়েরাই’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ, মে ১৪, ২০১৯

‘আজ মেরেই ফেলতো, ছাত্রলীগের ভাইয়েরাই’

দীর্ঘ এক বছর প্রতীক্ষার অবসান করে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়া হয়েছে। সোমবার ৩০১ সদস্য বিশিষ্টি এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।

এতে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি না দিলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কমিটি ছড়িয়ে পড়েছে।

সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ১১ মে এ কমিটিতে স্বাক্ষর করেন।

কমিটি দেয়ার পরপরই পদবঞ্চিতরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে, তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে ছাত্রলীগের নারী কর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই কমিটি নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা অভিযোগ করছেন, টাকা নিয়ে অছাত্র, বিবাহিতদের কমিটিতে পদ দেয়া হয়েছে। আর এসব অভিযোগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী মোভন ও গোলাম রাব্বানীর দিকে।

এমনই এক ছাত্রলীগ নেত্রী খাদিজাতুল কুবরা। গত কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির এই সহ-সম্পাদক গতকাল সোমবার মধুর ক্যান্টিনে আহত হয়েছেন। পরে তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন।

খাদিজাতুল কুবরা লেখেন, ‘কোমরে, পিঠে লোহার চেয়ার দিয়ে মারছে। পরে প্লাস্টিকের চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকে। আমি বাইরে যাচ্ছি, পরেই দেখি তিলোত্তমা পড়ে গেছে। ওকে শুইয়ে পানি দিলাম। পরে যখন বাইরে আসলাম তখন কিছু ছেলে ধাওয়া দিলো। তখন আল আমিন রহমান আমাকে ধরে কোনো রকম রক্ষা করলো।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আবার ধাওয়া দিলো ডাকসুর সামনে। তখন দৌড় দিয়ে রহমান হোসাইন ভাইয়ের পাঞ্জাবী ধরে হাঁপাচ্ছি আর বলেছি- ভাই, আমাকে বাঁচান। ভাই সেফ করে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে গেল। আজ মেরেই ফেলতো। আমার ছাত্রলীগের ভাইয়েরাই আমাকে, আমাদের...।’

এ হামলার জন্য ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়ী করেছেন। যদিও রাতে শোভন এবং রাব্বানী আহত নেতাকর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান। তবে সেখানেও তারা তোপের মুখে পড়েন।

আইএম

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও