সংস্কৃতি বাঁচাতে হলে নদী বাঁচাতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ | ১৩ বৈশাখ ১৪২৬

সংস্কৃতি বাঁচাতে হলে নদী বাঁচাতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৯:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০১৯

সংস্কৃতি বাঁচাতে হলে নদী বাঁচাতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে বাঁচাতে হলে দেশের নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে ইরান কালচারাল সেন্টার আয়োজিত ইরানি নওরোয (নববর্ষ) ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবকিছু ইট-পাথর দিয়ে ঘেরা হয়ে গেলে আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে যাবে। আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হলে প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। নদীকে বাঁচাতে হবে। আমাদের গ্রামগুলোকে বাঁচাতে হবে।

উন্নত দেশের সঙ্গে উন্নত প্রকৃতির সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে গেছেন। উন্নত দেশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। দেশ ও প্রকৃতি কিভাবে রক্ষা হবে তার জন্য তিনি ডেল্টা প্ল্যান দিয়েছেন। নদী রক্ষার কথা তিনি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছেন। আমরা মনে করি এ দেশের সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হলে দেশের নদীকে রক্ষা করতে হবে।’

খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতি সেটাকে মেলে ধরার জন্য, রক্ষা করার জন্য ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। আপনারা যারা ঢাকার মানুষ তারা দেখতে পেয়েছেন, আমরা বড় একটি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। ঢাকার নদীগুলোকে দখল করা হয়েছিল, তার নাব্যতা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল; নদী দূষণ হয়েছিল। আমরা ইতোমধ্যে একটা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। পাঁচ, তিন ও দুই বছর মেয়াদী। আমরা বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগকে পুরাতন আবহ আমরা ফিরিয়ে আনব।’

নদী তীর উচ্ছেদে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘জনসমর্থন ছাড়া কোনো কাজ হয় না। মুক্তিযুদ্ধে আমরা জয়লাভ করেছিলাম, সেটা জনযুদ্ধ ছিল বলে। জনগণের আকুণ্ঠ সমর্থন ছিল বলেই আমরা দুর্গম গিরি পাড়ি দিয়েছি। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রকৃতিকে রক্ষা করা; বাংলাদেশের নদীগুলোকে রক্ষা করা। সেখানে আপনার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। আমরা নতুন বর্ষে আপনাদের কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অতিথি অধ্যাপক ড. কাযেম কাহদুয়ী, বিশিষ্ট নাট্য পরিচালক অভিনেতা মামুনুর রশীদ, ইরান কালচারাল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত কাউন্সিলর মেহেদী হাসান প্রমুখ।

এসইউজে/আইএম