‘ডাকসুতে দুশ্চিন্তা আছে, আস্থাও রাখতে চাই’

ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

‘ডাকসুতে দুশ্চিন্তা আছে, আস্থাও রাখতে চাই’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

‘ডাকসুতে দুশ্চিন্তা আছে, আস্থাও রাখতে চাই’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদেরই অনুগত প্রশাসন। ফলে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে দুশ্চিন্তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে, আমরা সরকারের বক্তব্যে আস্থা রাখতে চাই।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

এর আগে ড্যাবের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নিয়ে জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘ডাকসুতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির পথে সরকার বাধা হবে না, ক্ষমতাসীন দলের এমন বক্তব্যে আমরা আস্থা রাখতে চাই, বিশ্বাস করতে চাই। যদিও এখন পর্যন্ত সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি। আমরা চাইব, ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের মতপ্রকাশ ও নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাক। শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সারা দেশে বিএনপিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দেয়া হচ্ছে না, নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেন না। ছাত্ররাও দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে যেতে পারেন না। এমন প্রেক্ষাপটে ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে। আমরা বলেছি, ডাকসু যাতে জাতীয় ও স্থায়ী সরকার নির্বাচনের মতো না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব, যে ছাত্রসমাজ আমাদের যুগে যুগে পথ দেখিয়েছে, সাহসী ভূমিকা দিয়ে আন্দোলন- সংগ্রামের সূচনা করেছে, সেই ছাত্রসমাজ তাদের প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ ডাকসুতে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকারকে বাধ্য করবে বলেও মন্তব্য করেন নজরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ড্যাবের আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সদস্য সচিব ডা. মো. ওবায়দুল কবির খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষকদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক এসকে সাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।

এমএইচ/আইএম