নির্বাচন কি সম্মানজনক হয়েছে: রিজভী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ | ৪ মাঘ ১৪২৫

নির্বাচন কি সম্মানজনক হয়েছে: রিজভী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

নির্বাচন কি সম্মানজনক হয়েছে: রিজভী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন কি খুবই সম্মানজনক হয়েছে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য, সংলাপ ও পুনর্নির্বাচন প্রশ্নে ঐক্যফ্রন্টের দাবি হাস্যকর—এর জবাবে এ প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সব শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দমন করে ভোট সন্ত্রাসের একতরফা নির্বাচন প্রমাণ করে, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না।

এত বড় নজিরবিহীন ভুয়া ভোটের নির্বাচনের পরেও আত্মমর্যাদাহীন আওয়ামী নেতারা নির্বাচন নিয়ে নির্লজ্জ গলাবাজি করছেন বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ৩০ ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাজানো ডিজাইনে ভোট লোপাটের মহা ধুমধাম এখন চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে। মহাভোজ উৎসবের মহা সমারোহ চলছে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে থানার পুলিশ স্টেশনগুলোতে। এভাবে অন্যান্য বাহিনীর ইউনিটেও চলছে ভোজের উৎসব৷

তিনি বলেন, যে দল ভোটে বিজয়ী হয়, সাধারণত তাদের কর্মীরাই উৎসব, ভোজ ইত্যাদিতে মেতে থাকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি রাজনৈতিক দলের তথাকথিত বিজয়ে উৎসব উদযাপন করে, এটা শুধু নজিরবিহীন ও হাস্যকরই নয়, হতবাক করা বিস্ময়ও বটে।

রিজভী আরো বলেন, সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো ২৯ ডিসেম্বর রাত ও ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সারা দেশে বিরোধী দল, মত ও বিশ্বাসের মানুষরা সরকারি সন্ত্রাসবাদে আক্রান্ত। সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশ্বে গণতন্ত্রের দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ। এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। বর্তমানে বাংলাদেশ পূর্ণ গণতন্ত্র বা ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্রের অবস্থানেও নেই। বাংলাদেশের অবস্থান স্বৈরতান্ত্রিক দেশগুলোর সমপর্যায়ে। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দলের ভাইস-চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহিদা রফিক প্রমুখ।

এফবি/এমএ