চার আসনে বিএনপির প্রার্থীশূন্যতা কাটল

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

চার আসনে বিএনপির প্রার্থীশূন্যতা কাটল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১১:১৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

চার আসনে বিএনপির প্রার্থীশূন্যতা কাটল

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রথমদিনে বিএনপির ৬১ প্রার্থীর মধ্যে ৩৮ জন প্রার্থীতা ফেরত পেয়েছেন। এর মধ্যে এমন চারটি আসন রয়েছে যেখানে দলটি প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়েছিল। আপিলে পক্ষে রায় আসার ফলে এসব আসনে তাদের প্রার্থীতারশূন্যতা কেটে গেল।

 

বৃহস্পতিবার আপীল শুনানীর প্রথম দিনের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এসব প্রার্থীরা স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেও তা গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তাদের প্রার্থীতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

আসন ফেরত পাওয়া এই চারজন হলেন, ঢাকা-১ আসনের খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ আসনের মো.  ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম), বগুড়া-৭ আসনের মোরশেদ মিল্টন, মানিকগঞ্জ ২ আসনের মো. আবিদুর রহমান খান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-১ আসনে বিএনপির দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এদের মধ্যে আপিলে খন্দকার আবু আশফাক তার প্রার্থীতা ফেরত পেয়েছেন। অন্যদের মতো আশফাকেরও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে পদত্যাগপত্র কার্যকর না হওয়ার কারণে মনোনয়ন বাছাইয়ে তার প্রার্থীতা বাতিল হয়। এ আসনের আয়কর রিটার্ণ দাখিল না করা ও দলীয় মনোনয়ন যথাযথ না হওয়া প্রার্থীতা বাতিল হওয়া বিএনপির অপর প্রার্থী ফাহমিদা হোসাইন জুবলির আপিল অপেক্ষমান রয়েছে।

বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। তারা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সরকার মিল্টন ও সরকার বাদল। এদের মধ্যে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত ছিল তিনি দুই বছরের অধিক সময় সাজাপ্রাপ্ত। আর বাদল উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। অন্যদিকে মোরশেদ মিল্টন পদত্যাগ পত্র তাখিল করলেও দাখিল গ্রহন হয়েছে মর্মে কোন প্রমাণক দাখিল করতে পারেননি।

জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির একজন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার ক্ষেত্রেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অবাহতি পায়নি বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত দেন।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এদের মধ্যে মঈনুল ইসলাম খানের (শান্ত) বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার দলীয় মনোনয়নে মহাসচিবের স্বাক্ষরের সঙ্গে নমুনা স্বাক্ষরের মিল নেই। তার বিষয়টি আপিলের জন্য অপেক্ষমান রয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহিত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাতিল করা আবিদুর রহমান খানের প্রার্থীতা বৃহস্পতিবার আপিলে ফেরত এসেছে।

এইচকে/এআরই