‘আমি নির্বাচনই করতে চাই না’

ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫

‘আমি নির্বাচনই করতে চাই না’

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৮:২৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৮

‘আমি নির্বাচনই করতে চাই না’

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, আমি নির্বাচনই করতে চাই না, সারাদেশ ঘুরে শেখ হাসিনাকে দেখাতে চাই তিনি নৌকা নিয়ে কতদূর যেতে পারেন। তিনি একাই বঙ্গবন্ধুর কন্যা নন আমিও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পুত্র। আমার গায়ে বঙ্গবন্ধুর রক্ত না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রয়েছে।

শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে তার বাসভবনে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশে এত বড় কারাগার নেই যেখানে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা যায়। যে টাকা তছরুপ হয়নি সেই ২ কোটি টাকার জন্য যে বিচারক খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছেন ওই বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকের যে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক আপনাদের না; ধানের শীষ এখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের। যদি আপনারা আমাদের রাখতে পারেন। আমরা যখন চলে যাব সেদিন আপনাদের প্রতীক হবে। আগামী নির্বাচন অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবার নির্বাচন।

তিনি বলেন, অনেক কথা শুনেছি, শেষ পর্যন্ত রাজাকারের খেতাব পেয়েছি। তাই গত ছয় বছরে আমি শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও গণভবনে যাইনি। কিন্তু ৭৫’র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মিলনমেলার বিষয়ে কথা বলতে গণভবনে যাওয়ার জন্য ৯ বার ফোন করে ব্যর্থ হয়েছি। পরে চিঠিও লিখেছি কিন্তু জবাব পাইনি। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের পর ওনাকেই (শেখ হাসিনা) আমাকে চিঠি লিখতে হবে।

সভায় স্থানীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুর, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতিক, জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম সরকার, মীর জুলফিকার শামীম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত: ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের উপনির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে প্রতিবছর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ভোট ডাকাতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

এসবি