ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্ন করে কী জবাব পেলেন নাঈমুল-তৌফিক?

ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২ পৌষ ১৪২৫

ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্ন করে কী জবাব পেলেন নাঈমুল-তৌফিক?

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৭:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০১৮

ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্ন করে কী জবাব পেলেন নাঈমুল-তৌফিক?

বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। শুক্রবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মতবিনিময় হয়।

মতবিনিময় সভার মাঝপথে বেরিয়ে আসেন আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান তৌফিক ইমরোজ খালিদী।

এ সময় নাঈমুল ইসলাম খান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন করেছি, তারা পরে উত্তর দিবেন বলেছেন। আমার আরেকটি জরুরি মিটিং আছে। চলে যাচ্ছি। তবে প্রতিনিধি রেখে গেছি, তার থেকে পরে জেনে নেব।’

কি প্রশ্ন করেছিলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় অথবা বিরোধী দলে গেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামীতে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করবে কি না? সাম্প্রতিক সময়ে ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় সকল ধর্মীয়গ্রন্থ পাঠ করা হয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রশান্তিমূলক আলোচনা হয়েছে— এগুলো তাদের ঐক্যবদ্ধ চিন্তার ফসল কি না? এবং ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট নিয়ে তাদের কোনো ঐক্যবদ্ধ চিন্তা আছে কি না? থাকলে তা নির্বাচনের আগে লিখিতভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করবেন কি না?’

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ‘সবগুলো প্রশ্নে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা মতবিনিময়ের শেষদিকে জবাব দেবেন বলে জানান।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুরুতেই ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান, আপনারা নিরপেক্ষতার জায়গা থেকে কী করলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে? এরপর আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বক্তব্য তুলে ধরেছি। তারা সবার বক্তব্য শুনেছেন।’

তৌফিক ইমরোজ খালিদী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, এই বৈঠক আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। জাতীয় নির্বাচনের আগে জোট ও দল এটা করে থাকে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? কিন্তু, এর কোনো উত্তর আমি পাইনি।’

মতবিনিময় সভার শুরুতে ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন এবং মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেন। এরপর সম্পাদকেরা তাদের মতামত দেন। পরে হয় প্রশ্ন-উত্তর।

মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, সাপ্তাহিক সম্পাদক গোলাম মোর্ত্তজা, সাপ্তাহিক বুধবার সম্পাদক আমির খসরু, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফর ডটকম সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, দিনকাল সম্পাদক রেজোয়ান সিদ্দিকী, ইনকিলাবের যুগ্ম-সম্পাদক মুন্সি আবদুল মান্নান, এএফপি’র ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম, রয়টার্স’র সিরাজুল ইসলাম কাদির, ডেইলি স্টারের প্লানিং এডিটর সাখাওয়াত লিটন, যুগান্তরের প্রধান প্রতিবেদক মাসুদ করিম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক আবু তাহের, বাংলাদেশের খবরের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, সমকালের চিফ রিপোর্টার লোটন একরাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ/আইএম