রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ফখরুলের বিচার কি ভুল হবে?

ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫

রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ফখরুলের বিচার কি ভুল হবে?

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৯:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ফখরুলের বিচার কি ভুল হবে?

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশকে স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘তাকে (ফখরুল) এ ধরনের বক্তব্যের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিচার করলে কি ভুল হবে? তবে আমরা তা করতে চাই না। জনগনের কাছে তাদের মুখোশ উম্মোচিত হোক।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মদদে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষের শক্তি যখন কমে মনের জোরও তখন কমে যায়। আর তখন মুখের জোর বেড়ে যায়। বিএনপিরও সেটাই হয়েছে। আর তাই তারা সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় কথা বলছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ওয়ান ইলেভেনের পরিবেশ তৈরির সকল ষড়যন্ত্র করছে। তবে দেশে আর সে পরিস্থিতি তৈরি হবে না। জনগন বিএনপির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নামক সাম্প্রদায়িক দানব পার্টি যতদিন থাকবে, ততদিন তারা দেশে অশান্তির আগুন জ্বালাবে। এ দানবীয় শক্তির হাত থেকে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের জনগণকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে কারা কারা তলে তলে বাতাস দিচ্ছেন তা আমরা জানি। বাতাস দেয়া বন্ধ করুন। কারণ বিএনপির আন্দোলন মাঠে নেই, রয়েছে মিডিয়ায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাতের যে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ রুখে দেবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা কখনো অচল হবে না। বাংলাদেশকেও অচল করা যাবে না। বিএনপি অচল হয়ে যাবে। কারণ বিএনপি তাদের রাজনীতিতে নেতিবাচক সকল উপাদান যুক্ত করে ফেলেছে।

১৭ আগস্টের দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ২০০৫ সালের এ দিনে দেশের ৬৩ জেলার পাঁচশ’ স্থানে একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সহায়তায় জঙ্গিগোষ্ঠী তাদের অস্তিত্বের জানান দিয়েছিল।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ওই হামলার টার্গেট ছিল দেশের বিচারালয় ও সরকারি স্থাপনা। এ হামলায় দু’জন নিহত ও প্রায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

এসইউজে/এমএসআই