‘১/১১’র পদধ্বনি পেয়েও কেন পদত্যাগ করছেন না?’

ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

‘১/১১’র পদধ্বনি পেয়েও কেন পদত্যাগ করছেন না?’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৩:২২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

‘১/১১’র পদধ্বনি পেয়েও কেন পদত্যাগ করছেন না?’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রশ্ন রেখে বলেছেন, আলোচিত ১/১১’র সুবিধাভোগী আওয়ামী লীগ। তাদের নেতারা আবারো একই প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। আমাদের প্রশ্ন, কিন্তু কেন?

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) আয়োজিত সাংবাদিক নির্যাতনবিরোধী সংহতি সমাবেশে তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ১/১১’র পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি কিন্তু মারাত্মক কথা বলেছেন। ১/১১’র পদধ্বনি পেয়েও আপনারা সরকারে আছেন! পদত্যাগ করছেন না কে?’

তিনি বলেন, ‘এটা সত্য, ১/১১’র সুবিধাভোগী আওয়ামী লীগ। এতটাই সুবিধাভোগী যে, দলটির নেত্রী বিদেশ যাওয়ার আগে বলেছিলেন তারা ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকারের সব কর্মকাণ্ডের বৈধতা দিবেন। পরে পার্লামেন্টে আইন করে সেটি করেছেনও। এরপর আবারো আপনারা ১/১১’র শুনতে পাচ্ছেন, কিন্তু কেন?’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘শুরু থেকেই বলছি, নিরাপদ সড়ক দাবির যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা সমর্থন দিয়েছি এবং সে সমর্থন এখনো অব্যাহত আছে। এরপরও উস্কানি খুঁজে রাতের আঁধারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। মেয়েরাও বাদ যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের দাবির আন্দোলনে আমরা অবশ্যই সমর্থন জানাব। জনগণকেও আহ্বান জানাব, শুধু নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য তারা যেন এগিয়ে আসে। আপনারা জেগে উঠুন, দেশকে স্বাধীন করুন।’

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন বিএনপির মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবখানে বিএনপির ভূত দেখতে পান, জিয়া পরিবারের ভূত দেখতে পান। তা না হলে ১৫ আগস্টের ঘটনাতেও কীভাবে খালেদা জিয়ার সংশ্লিষ্ট পেলেন তিনি!’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবার নিয়ে যা মুখে আসে, তাই বলেন। আমরা এখন আর তার কথার জবাব দিতে চাই না। শুধু বলতে চাই— আপনি রাজনীতিবিদ, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। এমন দায়িত্বে থেকে আপনার মুখে এ ধরনের অর্বাচীন কথাবার্তা কখনোই শোভা পায় না।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএফইউজের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, কবি আবদুল হাই শিকদার, প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।

এমএইচ/আইএম