পিন্টুর আসনে সক্রিয় বিএনপির ৩ নেতা

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫

পিন্টুর আসনে সক্রিয় বিএনপির ৩ নেতা

মাহমুদুল হাসান ৭:৫৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৯, ২০১৮

পিন্টুর আসনে সক্রিয় বিএনপির ৩ নেতা

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপি। তবে দলটির নেতারা ঠিকই নিজেদের মতো করে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। মনোনয়ন লাভের আশায় দলের পরিচয়ে গণসংযোগ করছেন অনেকেই।

ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির তিন নেতাকে তৎপর দেখা গেছে। তারা হলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নাসিমা আক্তার কল্পনা, দলের নির্বাহী কমিটির সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ ও চকবাজার থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজি মো. টিপু সুলতান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার অন্তর্ভুক্ত লালবাগ, চকবাজার ও বংশাল থানার মোট ১৬টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন।

এখানে সর্বশেষ ২০০৮ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচন করেছিলেন নাসির উদ্দিন পিন্টু। বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় তিনি মারা যান।

ফলে এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা এগিয়ে আছেন। তিনি নিজের মতো করে তৎপরতা চালাচ্ছেন। আপাতত বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে মূলত তিনি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সেরে রাখছেন।

কল্পনার বাইরে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ ও চকবাজার থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও হাজি মো. টিপু সুলতানের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। তারা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে এলাকায় পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন সেঁটেছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে রাখছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাজি টিপু সুলতানের বাবা মরহুম আব্দুস সাত্তার চকবাজারের পরিচিত ব্যবাসায়ী ছিলেন। ১৯৮৬ সালে তার বড় ভাই হারুন-অর রশিদ জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর ১৯৯১ সালে একই দল থেকে তার মামা আনোয়ার হোসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

নিজের তৎপরতা সম্পর্কে হাজি টিপু সুলতান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘চকবাজারেই আমার জন্ম। নবীন-প্রবীণ সবাই আমাকে চেনে ও জানে। সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি।’

তিনি বলেন, ‘এলাকার ছেলে হওয়ায় জনগণের আমার প্রতি আস্থা আছে। তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি। আগামী নির্বাচনে দল মনোনয়ন দিলে আশা করি জয় উপহার দিতে পারব।’

জাতীয় নির্বাচনে নিজের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘পুরনো ঢাকার লালবাগে আমার জন্ম। প্রত্যেকটি ওয়ার্ড-মহল্লায় আমার পদচারণা রয়েছে। সক্রিয় রাজনীতির কারণে বেশ কয়েকবার কারাবন্দি হয়েছি। আশা করি, দলের হাইকমান্ড আগামী নির্বাচনে তরুণদের প্রাধান্য দেবে এবং আমার অতীতের সক্রিয় অবস্থান বিবেচনা করে মনোনয়ন দেবে।’

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আগামী অক্টোবরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে চলতি বছরের শেষদিকে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথমদিকে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এমএইচ/আইএম