নির্বাচনকালীন সরকারের ‘নয়া ফর্মুলা’ এমাজউদ্দীনের

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫

নির্বাচনকালীন সরকারের ‘নয়া ফর্মুলা’ এমাজউদ্দীনের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৫:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৮

নির্বাচনকালীন সরকারের ‘নয়া ফর্মুলা’ এমাজউদ্দীনের

চারটি শর্ত পূরণ করলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। এসব শর্তের মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকারের একটি ফর্মুলাও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই শর্ত ও ফর্মুলার কথা তুলে ধরেন।

‘খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তি এবং তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা ও দণ্ডাদেশ প্রত্যাহারের’ দাবিতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

ড. এমাজউদ্দীন বলেন, গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত হচ্ছে নির্বাচন। গণতন্ত্রের স্বার্থে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই নির্বাচনের জন্য সরকারকে চারটি শর্তে পূরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সারাদেশে বিভিন্ন দলের ২০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭৮ হাজার মামলা রয়েছে। প্রথমত, এগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের তফসিলের আগে চলমান জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

‘তৃতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি মিলে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবেন। এতে বৃহত্তম বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ৩-৫টি মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব দিতে হবে, যাতে তারা সঠিকভাবে নির্বাচনের জন্য কাজ করতে পারে’ যোগ করেন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থত, ভোটাররা যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারে এবং পাশাপাশি প্রার্থীরা যাতে সকল ভোটারের কাছে ভোট চাইতে পারে সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’

স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত তিনবার গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে ড. এমাজউদ্দীন বলেন, প্রথমবার ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্র হত্যা করেছিলেন। এরপর ২০০৭ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে গণতন্ত্র হত্যা করা হয়। এই নিহত গণতন্ত্রকে খালেদা জিয়াই পুনরুদ্ধার করবেন।

আলোচনা সভায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিয়েই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার মুক্তির জন্য আইনি সহায়তার পাশাপাশি গতকাল (শুক্রবার) সমাবেশ করে শক্তি দেখিয়েছে বিএনপি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেই আন্দোলন করে রাজপথে থেকে সেই শক্তি দেখাতে হবে।’

সংগঠনের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।

এমএইচ/এমএসআই