এক ভগ্ন অনুপ্রবেশকারীর পদ্য

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

এক ভগ্ন অনুপ্রবেশকারীর পদ্য

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:০২ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯

এক ভগ্ন অনুপ্রবেশকারীর পদ্য

এক ভগ্ন অনুপ্রবেশকারীর পদ্য

হাবীব ইমন

 

সন্ধ্যায় বাতিতে মন্থর লেগেছে,
দীর্ঘদিন পর—
আলোটা দ্বিপ্রহরে ছিল না, সন্ধ্যায় নেমেছে
মিট মিট করে জ্বলা
ঝোপঝাড়ে জোনাকির ফিনকি দেয়া কোন কোন আলো
জানিয়ে দেয়, এ রাত অন্ধকার, এখানে দীর্ঘ অমাবস্যা বয়।
ঠিক আমারই মতো, এক অনুপ্রবেশকারী।

একটা রেলগাড়ি চলছে। কোথাও থামে না। ঠন্ ঠন্‌ শব্দ করে ছোটে।
কোথাও কোনো স্টেশন নেই, যাত্রী উঠা-নামার কোনো ব্যাপারও নেই।
নিজের সাথে নিজে লড়াই করে বেঁচে আছে।
এই রেলগাড়িতে আমি একমাত্র অনুপ্রবেশকারী।

দুঃখিত আমি নির্জন একটি সবুজ গাছে
ওড়ে ধুলো, গাছের পাতা থেকে বৃষ্টি নেয় ধুলোকে সরিয়ে
মানুষের বাহিরের ধুলো যদি বৃষ্টিতে মুছে
তাহলে হয়তো আমি অনুপ্রবেশকারী হতাম না।
যেখানেই দাঁড়াই ভুল দাঁড়িয়েছি। ধ্বনি থেকে প্রতি প্রতিধ্বনি হয়।

কুড়ি বছর পর জানলাম,
আমার জীবন আর তোমাদের জীবন আলাদা
এক হওয়ার নয়, বনসাইর মতো নিশ্চুপ থাকা জড়
মৃত্যু হয়তো এক, অভিন্ন, নিশ্চিত একাকী
তোমাদের ঘর আছে, আমার নেই,
এক অশান্তে জীবনের ছিদ্রে আমিই নির্বাণ অনুপ্রবেশকারী।

 

কবিতা: আরও পড়ুন

আরও